Friday, December 20, 2013

এডসেন্স এর বিকল্প বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা চিতিকা

আপনার মনে যদি থাকে গুগলের লাভজনক ব্যবসা এডসেন্স এর মত অন্য কেউ ব্যবসা করছে না কেন তাহলে উত্তর, করছে। চিতিকা গুগলের এডসেন্সর মত আরেকটি বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। আপনি তাদের সদস্য হয়ে আপনার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারেন। কোন ব্যবহারকারী সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে আপনি পেইড পার ক্লিক (PPC) পদ্ধতিতে টাকা পাবেন।
চিতিকা মুলত আমেরিকা, বৃটেন, কানাডা ইত্যাদি দেশের জন্য বিশেষভাবে কাজ করে। কাজেই তাদের টার্গেট করে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করলে আয় বেশি। অন্যভাবে, এইসব দেশের ভিজিটর যত বেশি আপনার আয় তত বেশি।
জিতিকায় দুধরনের একাউন্ট খোলা যায়। সিলভার এবং গোল্ড। আপনার সাইটে আমেরিকান ভিজিটরের সংখ্যা যদি দৈনিক ৫ হাজার হয় তাহলে আপনি গোল্ড মেম্বারশীপ পাবেন। নইলে সিলভার মেম্বারশীপ।  গোল্ড মেম্বারশীপের সুযোগ পেলে আপনি আপনার সাইটের সাথে মিল রেখে বিজ্ঞাপন পাবেন। সেইসাথে বেশি CTR, ফলে ক্লিক প্রতি আয় বেশি। অন্যদিকে সিলভার মেম্বারশীপে পাবেন সাধারন বিজ্ঞাপন লিংক।
চিতিকার বেশকিছু অন্যান্য সুবিধেও রয়েছে। তাদের সদস্য হওয়া এডসেন্স থেকে সহজ। তাদের সাইটে গিয়ে নিজের নাম-পরিচয় এবং ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিয়ে এপ্লাই করুন। এক সপ্তাহের মধ্যে উত্তর পাবেন। অন্যান্য সুবিধের মধ্যে রয়েছে এডসেন্স এবং চিতিকা দুটিই এক ওয়েবসাইটে ব্যবহারের সুযোগ। তারা টাকা দেয় পে-পল অথবা চেক এর মাধ্যমে।
কাজেই এডসেন্স ব্যবহার করুন বা নাই করুন, চিতিকা ব্যবহার করতে কোন বাধা নেই।
তাদের ঠিকানা 'www.chitika.com'

ফ্রিল্যান্সিং কাজে সবচেয়ে বড় ভুল

মানুষ ভুল থেকে শেখে। ফ্রিল্যান্সারদের ক্ষেত্রে একথা সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। প্রতিপদে সমস্যায় পড়ে তাদেরকে শিখতে হয়। প্রত্যেকেরই রয়েছে নিজস্ব নানারকম অভিজ্ঞতা। নিজে ঠকার আগে অন্যের অবস্থা থেকে কি শেখা যায় না!
কোন কাজগুলি সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে জেনে নিন। হয়ত আগে থেকেই সাবধানে থাকতে পারেন।
.          কমদাম
প্রত্যেক ফ্রিল্যান্সারই মনে করেন তাকে হয়ত কম টাকা দেয়া হচ্ছে। তারপরও কম টাকায় কাজ করতে হয়। যখন ঘন্টা হিসেবে কাজ করা হয় তখন বিষয়টি আরো জটিল হয়ে দাড়ায়। আপনি ৪ ঘন্টা কাজ করলে ঘন্টা হিসেবে ৪ ঘন্টার টাকা পাবেন। কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি সেকাজ করতে পারেন আধ ঘন্টায়। তিনি কত টাকার বিল করবেন ? তিনি আধ ঘন্টা কাজ করেছেন সেটা ঠিক, কিন্তু তার যে অভিজ্ঞতা সেটা অর্জন করতে বহু বছর ব্যয় করতে হয়েছে। তার মুল্য কোথায় ?
যদি সত্যিকারের মুল্য হিসেব করতে হয় তাহলে সময়, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা সবকিছু মিলিয়ে মুল্য হিসেব করুন।

.          অতি-ততপরতা
আপনি একজন ক্লায়েন্টে কাজ করবেন, তাকে খুশি করার জন্য যত দ্রুত সম্ভব করে দেবেন। সেটা অবশ্যই ঠিক, কিন্তু আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার। এর অর্থই হচ্ছে আপনি এর বাইরেও অন্য কিছু কাজে সময় ব্যয় করেন। কি হবে যদি অন্য কাজের কারনে সেই সময়ে কাজটি করে দিতে না পারেন ? অসংখ্য কারন ঘটতে পারে যেখানে আপনি যে হিসেব করেছেন সেই হিসেবে গড়মিল হতে পারে।
যে সময়ে কাজ করা সম্ভব তারথেকে বেশি সময় হাতে রেখে বিষয়টি সামাল দিতে পারেন।
.          বিক্রি করতে না পারা
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি আপনার দক্ষতা বিক্রি করবেন। আপনি ভাল কাজ জানেন, অণ্যের কাজ ভালভাবে করে দিতে পারেন কিন্তু তারা আপনার মুল্যায়ন করতে পারছেন না। নিশ্চয়ই কোথাও গড়মিল রয়েছে। আপনি বুঝাতে ব্যর্থ হচ্ছেন তারা কি চায়।
অন্যে যেভাবে চায় সেভাবে চিন্তা করুন। এমনভাবে প্রস্তাব দিন যেন তারা তাদের উপকার মনে করে। মনোযোগ দিয়ে শুনুন, নিজে কথা কম বলুন।
.          সবসময় হ্যা বলা
হ্যা না বললে কাজ হাতছাড়া হবে সেকারনে হ্যা বলতে হবে, এটা বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। ক্লায়েন্ট যে কাজ করাতে চান তিনি সে বিষয়ে যথেষ্ট জানবেন এমন কথা নেই। তিনি ভুল বললেও যদি খুশি করার জন্য হ্যা বলে যান তাতে তিনি সন্তুষ্ট নাও হতে পারেন। তার সব কথার সাথে একমত না হয়েও তারসাথে ভাল বন্ধুত্বের সম্পর্ক রাখতে পারেন।
.          যোগাযোগ না রাখা
আপনার কাজে কেউ খুবই খুশী হয়েছে। কাজ নেই বলে তারসাথে কোন সম্পর্ক না রাখা একটি ভুল। তার কাজ না থাকলেও অন্যের কাজের জন্য আপনার কথা উল্লেখ করতে পারেন তিনি। আপনার কাজে যিনি সন্তুষ্ট তিনি আপনার পক্ষেই মত দেবেন।
কাজ থাকুক বা না থাকুক, ক্লায়েন্টের সাথে সুসম্পর্ক রাখতে চেষ্টা করুন।

ফেসবুক থেকে আয়

ফেসবুক নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছূ নেই। সবচেয়ে জনপ্রিয় সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট, ইচ্ছে করলে যে কোন সময় নিজের নাম লিখিয়ে সদস্য হতে পারেন, অল্প কথায় আপনার বক্তব্য প্রকাশ করতে পারেন, ছবি সেখানে রেখে অন্যদের দেখাতে পারেন। এর মাধ্যমে অন্য ফেসবুক সদস্যদের সাথে বন্ধুত্ব গড়তে পারেন। যাকে পছন্দ তারজন্য লাইক বাটনে ক্লিক করবেন। বেশি বন্ধু বিষয়টিকে কৃতিত্ব হিসেবে দেখা হয়। বিখ্যাত ব্যক্তিদের অনেকের রয়েছে লক্ষ লক্ষ বন্ধু।
আপনার ফেসবুকের বন্ধুর সংখ্যাকে ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বলা হয় ফেসবুকের ব্যবহারকারী ৭০ কোটি। কাজেই বড় ধরনের সুযোগ সেখানে রয়েছে।
প্রথম কথা, আপনার বন্ধু বেশি এই কারনে ফেসবুক আপনাকে টাকা দেবে না। আপনাকে আয় করতে হবে একে প্রচার কাজে ব্যবহার করে। কি কি পদ্ধতিতে সেটা করা যায় জানা যাক।
.          আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার এর মত সাইট দেখেন সেখানে অনেকে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে অত সংখ্যক ফেসবুক (কিংবা টুইটার) ভক্ত চাই। অনেক সময় নির্দিষ্ট করে আমেরিকার কথা উল্লেখ করা হয়। আপনার যদি সেই পরিমান বন্ধু থাকে তাহলে আপনি সেখানে নিজের নাম লেখানোর অর্থ আপনার বন্ধুদের নাম লেখানো। আপত্তিকর শোনাতে পারে, আপনার বন্ধুদের নাম তারকাছে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা। আপনার বন্ধু যত বেশি আয় তত বেশি।
.          এফিলিয়েটে মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় করা। আপনি কোন প্রতিস্ঠানের এফিলিয়েশন নেবেন। তাদের পন্য বা সেবার কথা লিংকসহ উল্লেখ করবেন আপনার ফেসবুক পেজে। কেউ সেখানে ক্লিক করে সেই সেবা নিলে বা কিছু কিনলে আপনি অর্থ পাবেন। অনেক ক্ষেত্রে কেউ ক্লিক করলেই আপনি অর্থ পাবেন। ক্যাশ-ক্লিক নামে একটি সফটঅয়্যার রয়েছে ফেসবুকে যা পিটিসি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
.          কিছু বিক্রি করা। ফেসবুক পেজ যেহেতু প্রচারের যায়গা হিসেবে ব্যবহার করা যায় সেহেতু তার মাধ্যমে প্রচার করে কিছু বিক্রি করা যেতেই পারে। যারা অর্থ দিয়ে ফেসবুক বন্ধু কেনেন তারাও এই উদ্দেশ্যেই কেনেন।
.          নিজস্ব ওয়েবসাইটের সাথে ফেসবুক ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের প্রচার বাড়াতে পারেন। হয়ত লক্ষ্য করেছেন প্রতিটি ওয়েবসাইট ফেসবুকে একটি পেজ ব্যবহার করেন প্রচারের কাজে। আর প্রচারেই প্রসার।
     ফেসবুকের জন্য সফটটঅয়্যার তৈরী করে বিপুল পরিমান অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এজন্য আপনাকে কিছুটা প্রোগ্রামিং জানতে হবে, তবে ভয় পাবেন না। শুধুমাত্র ইন্টারনেট ব্যবহার করেই জানার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু পাবেন। বহু ওয়েবসাইট রয়েছে শেখানোর জন্য।
আয়ের পদ্ধতি যাই হোক না কেন, আপনার প্রথম প্রয়োজন ফেসবুক একাউন্ট এবং সেখানে যথেষ্ট পরিমান বন্ধু। যদি এখনও সেটা না থাকে আপাতত এখান থেকেই শুরু করুন।
আর যদি ফেসবুক একাউন্ট থাকে তাহলে এখান থেকে আয় শুরু করুন। 

ইন্টারনেটে সহজে আয়ের জন্য fast2earn এফিলিয়েশন

ইন্টারনেট থেকে সহজে আয়ের সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি এফিলিয়েশন। কোন কোম্পানী হয়ে প্রচার করবেন। এফিলিয়েশন থেকে আয় বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠালে প্রতি ভিজিটরের জন্য টাকা পাবেন,  কেউ সদস্য হলে আরো বেশি টাকা পাবেন, কিছু বিক্রি হলে তারথেকেও বেশি কমিশন পাবেন। প্রচার করতে পারেন নিজের ওয়েবসাইটে, ব্লগে, ফেসবুক-টুইটারে কিংবা এগুলি যদি নাও থাকে শুধুমাত্র ইমেইল ব্যবহার করেও অন্যের কাছে লিংক পাঠাতে পারেন। সেই লিংকে কেউ ক্লিক করলে আপনি টাকা পাবেন।
undefined
এধরনের একটি সহজ নেটওয়ার্ক ফাষ্ট২আর্ন। কিভাবে এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবেন জেনে নিন।
.          তাদের সাইটে যান fast2earn
.          নিজের নাম এবং ইমেইল এড্রেস দিন।
.          পছন্দমত পাশওয়ার্ড টাইপ করে দিন।
সদস্য হওয়ার জন্য এটুকুই যথেষ্ট। সাথেসাথেই আপনার একাউন্ট তৈরী হবে। নিজের একাউন্টে ঢুকুন।
.          Banners লেখা বাটনে ক্লিক করুন। বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপনের ব্যানার দেখতে পাবেন। কোন বিজ্ঞাপন থেকে কত আয় হবে সেটাও দেখা যাবে। পছন্দমত কোন বিজ্ঞাপন ব্যবহারে জন্য তার সাথে দেয়া Get Banner Code বাটনে ক্লিক করুন। সেখানে কোড পাওয়া যাবে।
.          কোডটি কপি করুন এবং আপনার ব্লগ, ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ইমেইল ইত্যাদি যায়গায় ব্যবহার করুন। সেখানে ব্যানারটি দেখা যাবে।
আপনার কত আয় হয়েছে সেটা আপনার সাইটে লগ-ইন করলেই দেখা যাবে। তারা টাকা দেয় পেপল ছাড়া এলার্ট-পে এবং ব্যাংকচেকের মাধ্যমে। কাজেই বাংলাদেশ থেকে ব্যবহার করতে সমস্যা নেই।
এলার্ট পে এর সদস্য না হয়ে থাকলে এখনই সদস্য হয়ে নিন এবং আয় শুরু করুন। সাধারনভাবে প্রতিজন লিংকে ক্লিকের জন্য (একই ব্যক্তির বারবার ক্লিক করা যাবে না) আয় ৭ সেন্ট, সেই লিংক থেকে কেউ সদস্য হলে ১.৮ ডলার এবং কেউ কিছু কিনলে ১৫% কমিশন এটাই নিয়ম। তবে বিজ্ঞাপনভেদে তারতম্য আছে।
যত বেশি প্রচার করতে পারবেন আপনার আয় তত বেশি। কাজেই যদি ব্লগ না থাকে তাহলে ব্লগ তৈরী করে নিন। এই সাইটে ব্লগ তৈরীর টিউটোরিয়াল রয়েছে।

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের ৫টি সেরা পথ, Internet earning

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের বহু উপায় রয়েছে। এই সাইটে প্রায় সবগুলি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন কোনটি করবেন না এই নিয়ে। সেইসাথে বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। অনেক সহজ কাজও জটিল কিংবা অসম্ভব হয়ে দাড়ায় অনেকের কাছে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতির তুলনামুলক চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে এই লেখায়।

১. গুগল এডসেন্স
গুগল এডসেন্স সবচেয়ে সেরা উপায় এতে আপত্তি করবেন না কেউই। প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও, নিজে কিছু বিক্রি না করেও মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায়। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই। প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা।
ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। দৈনিক অন্তত ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম।
গুগল এডসেন্স এর মত আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে চিতিকা (chitika) নামে। ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।

২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
অনেকে বলেন এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের প্রচার করা। নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠানেই, কোন কোম্পানী দেয় সেই ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানী/বিষয়ও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এর মত প্রতিস্ঠানের সহযোগিতা পাওয়া যায় এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজে।
এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী, সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম বেশি।

৩. ফ্রিল্যান্সিং 
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যেতে চান না, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন থেকে শুরু করে, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করার জন্য রয়েছে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান। সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, তারা আপনার দক্ষতায় সন্তুষ্ট হলে কাজের অনুমতি দেবে। আপনি কাজ করে জমা দেবেন এবং আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে।
ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয় ঘন্টাপ্রতি অথবা নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী এককালীন চুক্তি অনুযায়ী। কাজের জটিলতা অনুযায়ী কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
www.freelancer.com , www.odesk.com  ইত্যাদি এধরনের কাজে বড় প্রতিস্ঠান।

৪. নিজে বিক্রি করা
নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। সেকারনে লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে।
আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন, সেগুলি তৈরী করবেন অথবা অন্যের কাছ থেকে কিনবেন, এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন, আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। সারা বিশ্বের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে।

৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন।
মুলত পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক। একাজে সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তিগতভাবে করা যায় না, প্রতিস্ঠান হিসেবে কাজ করতে হয়। তবে সেটা সংবাদপত্র হতে হবে এমন কথা নেই। মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট হতে পারে। যেমন বিভিন্ন পণ্যের পরিচিতি এবং দাম নিয়ে যেমন মানুষের আগ্রহ সেই বিষয় নিয়েই অনেকগুলি বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট রয়েছে। চাকরী বা অন্য তথ্য নিয়ে সাইটও লক্ষ লক্ষ ভিজিটর পেতে পারে।

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের ৫টি সেরা পথ, Internet earning

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের বহু উপায় রয়েছে। এই সাইটে প্রায় সবগুলি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন কোনটি করবেন না এই নিয়ে। সেইসাথে বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। অনেক সহজ কাজও জটিল কিংবা অসম্ভব হয়ে দাড়ায় অনেকের কাছে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতির তুলনামুলক চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে এই লেখায়।

১. গুগল এডসেন্স
গুগল এডসেন্স সবচেয়ে সেরা উপায় এতে আপত্তি করবেন না কেউই। প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও, নিজে কিছু বিক্রি না করেও মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায়। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই। প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা।
ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। দৈনিক অন্তত ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম।
গুগল এডসেন্স এর মত আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে চিতিকা (chitika) নামে। ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।

২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
অনেকে বলেন এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের প্রচার করা। নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠানেই, কোন কোম্পানী দেয় সেই ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানী/বিষয়ও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এর মত প্রতিস্ঠানের সহযোগিতা পাওয়া যায় এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজে।
এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী, সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম বেশি।

৩. ফ্রিল্যান্সিং 
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যেতে চান না, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন থেকে শুরু করে, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করার জন্য রয়েছে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান। সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, তারা আপনার দক্ষতায় সন্তুষ্ট হলে কাজের অনুমতি দেবে। আপনি কাজ করে জমা দেবেন এবং আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে।
ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয় ঘন্টাপ্রতি অথবা নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী এককালীন চুক্তি অনুযায়ী। কাজের জটিলতা অনুযায়ী কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
www.freelancer.com , www.odesk.com  ইত্যাদি এধরনের কাজে বড় প্রতিস্ঠান।

৪. নিজে বিক্রি করা
নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। সেকারনে লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে।
আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন, সেগুলি তৈরী করবেন অথবা অন্যের কাছ থেকে কিনবেন, এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন, আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। সারা বিশ্বের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে।

৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন।
মুলত পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক। একাজে সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তিগতভাবে করা যায় না, প্রতিস্ঠান হিসেবে কাজ করতে হয়। তবে সেটা সংবাদপত্র হতে হবে এমন কথা নেই। মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট হতে পারে। যেমন বিভিন্ন পণ্যের পরিচিতি এবং দাম নিয়ে যেমন মানুষের আগ্রহ সেই বিষয় নিয়েই অনেকগুলি বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট রয়েছে। চাকরী বা অন্য তথ্য নিয়ে সাইটও লক্ষ লক্ষ ভিজিটর পেতে পারে।

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের ৫টি সেরা পথ, Internet earning

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের বহু উপায় রয়েছে। এই সাইটে প্রায় সবগুলি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন কোনটি করবেন না এই নিয়ে। সেইসাথে বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। অনেক সহজ কাজও জটিল কিংবা অসম্ভব হয়ে দাড়ায় অনেকের কাছে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতির তুলনামুলক চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে এই লেখায়।

১. গুগল এডসেন্স
গুগল এডসেন্স সবচেয়ে সেরা উপায় এতে আপত্তি করবেন না কেউই। প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও, নিজে কিছু বিক্রি না করেও মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায়। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই। প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা।
ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। দৈনিক অন্তত ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম।
গুগল এডসেন্স এর মত আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে চিতিকা (chitika) নামে। ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।

২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
অনেকে বলেন এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের প্রচার করা। নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠানেই, কোন কোম্পানী দেয় সেই ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানী/বিষয়ও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এর মত প্রতিস্ঠানের সহযোগিতা পাওয়া যায় এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজে।
এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী, সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম বেশি।

৩. ফ্রিল্যান্সিং 
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যেতে চান না, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন থেকে শুরু করে, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করার জন্য রয়েছে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান। সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, তারা আপনার দক্ষতায় সন্তুষ্ট হলে কাজের অনুমতি দেবে। আপনি কাজ করে জমা দেবেন এবং আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে।
ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয় ঘন্টাপ্রতি অথবা নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী এককালীন চুক্তি অনুযায়ী। কাজের জটিলতা অনুযায়ী কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
www.freelancer.com , www.odesk.com  ইত্যাদি এধরনের কাজে বড় প্রতিস্ঠান।

৪. নিজে বিক্রি করা
নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। সেকারনে লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে।
আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন, সেগুলি তৈরী করবেন অথবা অন্যের কাছ থেকে কিনবেন, এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন, আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। সারা বিশ্বের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে।

৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন।
মুলত পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক। একাজে সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তিগতভাবে করা যায় না, প্রতিস্ঠান হিসেবে কাজ করতে হয়। তবে সেটা সংবাদপত্র হতে হবে এমন কথা নেই। মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট হতে পারে। যেমন বিভিন্ন পণ্যের পরিচিতি এবং দাম নিয়ে যেমন মানুষের আগ্রহ সেই বিষয় নিয়েই অনেকগুলি বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট রয়েছে। চাকরী বা অন্য তথ্য নিয়ে সাইটও লক্ষ লক্ষ ভিজিটর পেতে পারে।