Showing posts with label How To Get Money. Show all posts
Showing posts with label How To Get Money. Show all posts

Friday, December 20, 2013

ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জন : কিভাবে বেশি কাজ পাবেন?

আউটসোর্সিং এর জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাইট ওডেস্ক এর সাম্প্রতিক একটি পরিসংখ্যান দেখুন,
গত ৯০ দিনে তাদের মাধ্যমে কাজ করে মানুষ আয় করেছে ৩ কোটি ৮১ লক্ষ ডলারের বেশি, কাজ জমা পরেছে ৩৬,২৪৩টি, প্রতিটি কাজের জন্য যোগাযোগ করেছে গড়ে ১১.৩ জন।
শেষ সংখ্যাটির দিকে বেশি গুরুত্ব দিন। আপনি সহ ১১ জন হলে বাকি ১০ জনকে প্রতিযোগিতায় পেছনে ফেলে আপনাকে কাজ পেতে হবে। কাজেই আপনাকে দেখাতে হবে আপনি অন্যদের থেকে যোগ্য। কিভাবে সেটা করা সম্ভব দেখে নেয়া যাক।
প্রথম কথা, অবশ্যই দক্ষতা বাড়ানো। যদি গ্রাফিক ডিজাইনকে উদাহরন হিসেবে ধরা যায় তাহলে আপনার প্রয়োজন কাজ ঠিকভাবে করার যোগ্যতা অর্জন করা, ভাল ডিজাইনের বৈশিষ্ট বোঝা, যথেষ্ট পরিমান কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করা। ডিজাইন এমনই একটি বিষয় যে সম্পর্কে প্রত্যেকেরই নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থাকে। ফলে একজনের কাছে ভাল মনে হলেও আরেকজনের কাছে ভাল নাও মনে হতে পারে। অনেকেই ভুলে যান অধিকাংশ কাজ হয় ব্যাকরনের মত নিয়ম মেনে। রঙ, কম্পোজিশন, ফন্ট, বক্তব্য সবকিছু মিলিয়ে ভালো ডিজাইন। কখনো ভেবে দেখেছেন কি কোকাকোলা, মাইক্রোসফট এর মত বিশ্বের সেরা লোগোগুলি কত সাধারন। ভালভাবে লক্ষ্য করে দেখুন, শুধুমাত্র লেখা দিয়ে তৈরী এই লোগোগুলি তাদের পরিচিতি সার্থকভাবে তুলে ধরে। কাজেই আপনাকে জটিল কিছু করতে হবে এটা ধরে নেবেন না।
মুলকথা হচ্ছে, ডিজাইন সম্পর্কি বহু বইপত্র পাওয়া যায়। সেখানে যে সুত্রগুলি দেয়া হয়েছে ভালভাবে রপ্ত করা।
ধরে নিচ্ছি আপনি সেটা করেছেন কিংবা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আপনার যোগ্যতা অন্যকে দেখাবেন কিভাবে যদি দেখানোর সুযোগ না পান। সে কথাগুলি উল্লেখ করার জন্যই এই লেখা।
আউটসোর্সিং সাইটগুলি বলে প্রথম কাজ পাওয়া সবচেয়ে কঠিন। ওডেস্কের হিসেবে প্রথম কাজ পেতে আপনার ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত চেষ্টা করতে হতে পারে। আরো ভাল ফল পাওয়ার জন্য এই পদ্ধতিগুলি কাজে লাগান,
আপনার করা ভাল কাজগুলি আপনার প্রোফাইলে জমা রাখুন। সেগুলি দেখে যিনি কাজ দেবেন তিনি আপনার কাজ সম্পর্কে আগাম ধারনা পেতে পারেন।
এধরনের সাইটগুলিতে টেষ্ট দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সেগুলি দিন। এতে আপনার রেটিং বাড়বে ফলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়বে।
পেশাদারিত্বের পরিচয় দিন। যিনি কাজ দেবেন তার প্রথম লক্ষ্য কাজটি সময়মত হবে, দ্বিতীয়ত কাজটি ভালভাবে হবে, তৃতীয়ত কম টাকায় হবে। এর যে কোনটিতে গড়মিল হলে কাজ পাবেন না। আপনার দায়িত্ব তারকাছ থেকে তিনি ঠিক কি চান সেটা জেনে নিয়ে কাজ করা। এমনভাবে যোগাযোগ করা যেন তিনি আপনাকে বিশ্বাস করতে পারেন। যে কাজ ভালভাবে করতে পারবেন না সেকাজে কখনো হাত দেবেন না। এতে নিজেরই ক্ষতি।
শুরুতেই অর্থকে গুরুত্ব দেবেন না। এধরনের সাইটে কাজ দুভাবে দেয়া হয়, কোনটিতে নির্দিষ্ট টাকার পরিমান উল্লেখ করা থাকে, কোনটিতে প্রতিযোগিতামুলক দাম উল্লেখ করে অন্যদের পেছনে ফেলতে হয়। সমস্যা হচ্ছে, আপনি যদি খুব কমদাম চেয়ে বসেন তারা ধরে নেবে আপনি কাজের যোগ্য নন। আর বেশি চাইলে খরচের কারনে কাজ দেবে না। শুরুতে নির্দিষ্ট খরচের কাজে হাত দেয়াই ভাল।
বেশি বেশি কাজের চেষ্টা করুন। যত বেশি চেষ্টা করবেন কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। সাধারনত বিনামুল্যে একাউন্ট করলে নিদিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট সংখক আবেদন করা যায়। কিছু ফি দিয়ে সদস্য হলে সেই সুযোগ বাড়ে। কাজ করার সিদ্ধান্তই যদি নিয়ে 

ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জন : কিভাবে বেশি কাজ পাবেন?

আউটসোর্সিং এর জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাইট ওডেস্ক এর সাম্প্রতিক একটি পরিসংখ্যান দেখুন,
গত ৯০ দিনে তাদের মাধ্যমে কাজ করে মানুষ আয় করেছে ৩ কোটি ৮১ লক্ষ ডলারের বেশি, কাজ জমা পরেছে ৩৬,২৪৩টি, প্রতিটি কাজের জন্য যোগাযোগ করেছে গড়ে ১১.৩ জন।
শেষ সংখ্যাটির দিকে বেশি গুরুত্ব দিন। আপনি সহ ১১ জন হলে বাকি ১০ জনকে প্রতিযোগিতায় পেছনে ফেলে আপনাকে কাজ পেতে হবে। কাজেই আপনাকে দেখাতে হবে আপনি অন্যদের থেকে যোগ্য। কিভাবে সেটা করা সম্ভব দেখে নেয়া যাক।
প্রথম কথা, অবশ্যই দক্ষতা বাড়ানো। যদি গ্রাফিক ডিজাইনকে উদাহরন হিসেবে ধরা যায় তাহলে আপনার প্রয়োজন কাজ ঠিকভাবে করার যোগ্যতা অর্জন করা, ভাল ডিজাইনের বৈশিষ্ট বোঝা, যথেষ্ট পরিমান কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করা। ডিজাইন এমনই একটি বিষয় যে সম্পর্কে প্রত্যেকেরই নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি থাকে। ফলে একজনের কাছে ভাল মনে হলেও আরেকজনের কাছে ভাল নাও মনে হতে পারে। অনেকেই ভুলে যান অধিকাংশ কাজ হয় ব্যাকরনের মত নিয়ম মেনে। রঙ, কম্পোজিশন, ফন্ট, বক্তব্য সবকিছু মিলিয়ে ভালো ডিজাইন। কখনো ভেবে দেখেছেন কি কোকাকোলা, মাইক্রোসফট এর মত বিশ্বের সেরা লোগোগুলি কত সাধারন। ভালভাবে লক্ষ্য করে দেখুন, শুধুমাত্র লেখা দিয়ে তৈরী এই লোগোগুলি তাদের পরিচিতি সার্থকভাবে তুলে ধরে। কাজেই আপনাকে জটিল কিছু করতে হবে এটা ধরে নেবেন না।
মুলকথা হচ্ছে, ডিজাইন সম্পর্কি বহু বইপত্র পাওয়া যায়। সেখানে যে সুত্রগুলি দেয়া হয়েছে ভালভাবে রপ্ত করা।
ধরে নিচ্ছি আপনি সেটা করেছেন কিংবা চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আপনার যোগ্যতা অন্যকে দেখাবেন কিভাবে যদি দেখানোর সুযোগ না পান। সে কথাগুলি উল্লেখ করার জন্যই এই লেখা।
আউটসোর্সিং সাইটগুলি বলে প্রথম কাজ পাওয়া সবচেয়ে কঠিন। ওডেস্কের হিসেবে প্রথম কাজ পেতে আপনার ৬ সপ্তাহ পর্যন্ত চেষ্টা করতে হতে পারে। আরো ভাল ফল পাওয়ার জন্য এই পদ্ধতিগুলি কাজে লাগান,
আপনার করা ভাল কাজগুলি আপনার প্রোফাইলে জমা রাখুন। সেগুলি দেখে যিনি কাজ দেবেন তিনি আপনার কাজ সম্পর্কে আগাম ধারনা পেতে পারেন।
এধরনের সাইটগুলিতে টেষ্ট দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সেগুলি দিন। এতে আপনার রেটিং বাড়বে ফলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়বে।
পেশাদারিত্বের পরিচয় দিন। যিনি কাজ দেবেন তার প্রথম লক্ষ্য কাজটি সময়মত হবে, দ্বিতীয়ত কাজটি ভালভাবে হবে, তৃতীয়ত কম টাকায় হবে। এর যে কোনটিতে গড়মিল হলে কাজ পাবেন না। আপনার দায়িত্ব তারকাছ থেকে তিনি ঠিক কি চান সেটা জেনে নিয়ে কাজ করা। এমনভাবে যোগাযোগ করা যেন তিনি আপনাকে বিশ্বাস করতে পারেন। যে কাজ ভালভাবে করতে পারবেন না সেকাজে কখনো হাত দেবেন না। এতে নিজেরই ক্ষতি।
শুরুতেই অর্থকে গুরুত্ব দেবেন না। এধরনের সাইটে কাজ দুভাবে দেয়া হয়, কোনটিতে নির্দিষ্ট টাকার পরিমান উল্লেখ করা থাকে, কোনটিতে প্রতিযোগিতামুলক দাম উল্লেখ করে অন্যদের পেছনে ফেলতে হয়। সমস্যা হচ্ছে, আপনি যদি খুব কমদাম চেয়ে বসেন তারা ধরে নেবে আপনি কাজের যোগ্য নন। আর বেশি চাইলে খরচের কারনে কাজ দেবে না। শুরুতে নির্দিষ্ট খরচের কাজে হাত দেয়াই ভাল।
বেশি বেশি কাজের চেষ্টা করুন। যত বেশি চেষ্টা করবেন কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা তত বেশি। সাধারনত বিনামুল্যে একাউন্ট করলে নিদিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট সংখক আবেদন করা যায়। কিছু ফি দিয়ে সদস্য হলে সেই সুযোগ বাড়ে। কাজ করার সিদ্ধান্তই যদি নিয়ে 

ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জন : টাকা কিভাবে হাতে পাবেন?

ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জনের জন্য আপনার পক্ষে যাকিছু করা সম্ভব সবই আপনি করলেন। যা জানা প্রয়োজন জানলেন, টাকা খরচ করে ইন্টারনেট সংযোগ নিলেন, ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আউটসোর্সিং  সাইটে গিয়ে কাজ নিলেন, সেটা করে জমাও দিলেন। এরপর আপনার হিসেবের পালা। আপনি টাকা পাবেন কিভাবে। এখানে যেহেতু আপনার সব ইচ্ছাই যথেষ্ট না সেহেতু আগেই হিসেব করে নেয়া ভাল।
আগে দেখে নেয়া যাক তারা দেয় কিভাবে।
সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হচ্ছে ভিসা-মাষ্টারকার্ডের মত ক্রেডিট কার্ড। তারা আপনার নামে টাকা জমা দিতে পারে সাথেসাথেই, আপনিও সাথেসাথেই সেটা পাবেন। উন্নত দেশগুলিতে মানুষ কেনাকাটা থেকে শুরু করে ট্যাক্সিভাড়া পর্যন্ত দেয় ক্রেডিটকার্ডের মাধ্যমে। কাজেই তারা এই পদ্ধতি বেশি ব্যবহার করবে সেটাই স্বাভাবিক।
বাংলাদেশের বাস্তবতা ভিন্ন। এখানে ক্রেডিট কার্ড নামের একটি বস্তু পকেটে নিয়ে বেড়াতে পারেন, টাকার বদলে সেটা দিতে পারেন না। সেটা থেকে টাকা বানিয়ে সেই টাকা নিয়ে দোকানে ঢুকতে হয়।
আরেক পদ্ধতি হচ্ছে পে-পল এর মত অর্থ লেনদেনকারী প্রতিস্ঠানের সাহায্য নেয়। শুধুমাত্র ইমেইল ব্যবহার করে বিনামুল্যেই সেখানে একাউন্ট খোলা যায়। টাকা আপনার একাউন্টে জমা হবে। আপনি স্থানীয় ব্যাংক থেকে সেটা উঠিয়ে নেবেন। এই পদ্ধতিও তুলনামুলক দ্রুতই।
বাংলাদেশের বাস্তবতা হচ্ছে, বাংলাদেশে পে-পল ব্যবহারে সরকারের অনুমতি নেই। পে-পল ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের নাম খুজে পাবেন না। এবিষয়ে সরকারের সর্বশেষ বক্তব্য, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। আপনি এই আশ্বাসের ওপর নির্ভর করে অপেক্ষা করে জীবন পার করতে পারেন।
আরেক পদ্ধতি হচ্ছে অয়্যার ট্রান্সফার। ওয়েষ্টার্ন ইউনিয়নের মত প্রতিস্ঠানের মাধ্যমে টাকা গ্রহন করা যায়। এই পদ্ধতিও বেশ দ্রুত। তবে এজন্য টাকা দিতে হয়।
আরেক পদ্ধতি হচ্ছে প্রচলিত ব্যাংক চেক গ্রহন করা। তারা আপনার নামে চেক পাঠাবে আপনি সেই চেক ব্যবহার করে ব্যাংক থেকে টাকা উঠাবেন। এতে সময় বেশি প্রয়োজন হয়, চেকের জন্য আলাদা ফি দিতে হয়। সবচেয়ে বড় কথা, সকলে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে না। আপনি যদি গুগলের কাছে টাকা পান তারা আপনার নামে চেক পাঠাবে, ছোট প্রতিস্ঠান কিংবা ব্যক্তিগত পর্যায়ে সাধারনত এই ঝামেলায় যাবে না। কাজেই আপনার সামনে সুযোগ খুব বেশি নেই।
এবারে দেখা যাক যারা ইতিমধ্যে কাজ করছেন তারা কি করেন।
কেউ কেউ অন্যের ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করেন। অর্থাত পরিচিত কারো ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সুযোগ থাকলে তার নাম্বার ব্যবহার করে সেখানে টাকা জমা করা। তাকে অবশ্যই এতটা বিশ্বস্ত হতে হয় যে টাকার হিসেবে গড়মিল করবে না। আরেকটি বিষয় হচ্ছে উন্নত দেশগুলিতে সবধরনের লেনদেন যাচাই করা হয়। যদিও বিষয়টি অবৈধ পর্যায়ে যায় না তাহলেও অনেকেই ঝামেলায় যেতে চান না।
পে-পল ব্যবহার যেহেতু সহজ বলে অন্য দেশে করা পে-পল একাউন্ট ব্যবহার করেন কেউ কেউ। এখানেও সমস্যা একই। আপনার নিজেকেই বিদেশে একাউন্ট করতে হয় অথবা অন্যের ওপর নির্ভর করতে হয়। পে-পলের নিয়ম অনুযায়ী একজনের একাউন্ট অন্যজন ব্যবহার নিষিদ্ধ। তারা জানলে একাউন্ট বন্ধ করে দেবে।
এলার্ট-পে আরেকটি জনপ্রিয় পদ্ধতি যা খুব সহজে ব্যবহার করা যায়। পিটিসি সাইট এবং এফিলিয়েশন এর পেমেন্ট সাধারনত এভাবে নেয়া যায়। ওডেস্ক,ফ্রিল্যান্সার, স্ক্রিপ্টল্যান্স এই পদ্ধতি ব্যবহার করে না। যেখানে এার্ট-পে ববহার করা যায় সেখানে এলার্ট পে ব্যবহার করুন। এখানে ক্লিক করে সদস্য হতে পারেন।
বাংলাদেশে যারা কাজ করেন তাদের প্রচলিত একটি পদ্ধতি হচ্ছে মানিবুকারস ব্যবহার করা। মানিবুকারস (www.moneybookers.com) পে-পলের মত একই ধরনের সেবা দেয়। তাদের সেবার মানও উন্নত (পে-পলের বিরুদ্ধে নানারকম অভিযোগ রয়েছে)। যেহেতু অনেকেই এই পদ্ধতি ব্যবহার করছেন সেহেতু এটাই ভালভাবে জেনে নিন।
আপনার প্রয়োজন স্থানীয় একটি ব্যাংক একাউন্ট। ব্যাংকের কাছে আগে জেনে নিন তারা এই পদ্ধতি ব্যবহার করে কি-না। ডাচ-বাংলা ব্যাংক থেকে এই পদ্ধতিতে টাকা উঠানো যায় এটুকু নিশ্চিত করতে পারি।
প্রয়োজন একটি ইমেইল এড্রেস।
এটুকুই। এরপর মানিবুকারস সাইটে গিয়ে নিজের তথ্য দিয়ে নামে একটি একাউন্ট খুলুন। আন্তর্জাতিক অর্থ লেনদেনের জন্য সুইফট কোড নামে একটি কোড ব্যবহার করা হয়। ডাচবাংলা ব্যাংকের জন্য এই কোড DBBLBDDHঅন্য ব্যাংক হলে সেই ব্যাংকের কোড জেনে নিন। এই কোড ব্যবহার করে ব্যাংক একাউন্ট যোগ করুন।
মানিবুকারস এ একাউন্ট তৈরীর কোন খরচ নেই।
টাকা জমা হলে মানিবুকারস ওয়েব সাইটের উইথড্র থেকে টাকা উঠানোর চেষ্টা করুন। আপনাকে ঠিকানা/ব্যাংক ভেরিফাই করতে বলবে। সেটা করুন। অথবা, ভেরিফিকেশন ছাড়া ১৫ ডলার উঠানো যায়, কাজেই ১৫ ডলারের নিচে উঠান। তারা আপনার ব্যাংকে ভেরিফিকেশন কোড পাঠাবে।
আপনার ব্যাংকে এই তথ্য যেতে ১ থেকে ২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। ব্যাংকে গিয়ে আপনার কোডটি নিন এবং মানিবুকারস এর সাইটে গিয়ে সেটা ব্যবহার করুন।
এরপর প্রতি ৯০ দিনে ২০০০ ডলারের বেশি পর্যন্ত গ্রহন করতে পারবেন এই একাউন্ট ব্যবহার করে। অর্থের পরিমান যাই হোক, মানিবুকারস প্রতি লেনদেনের জন্য ২.১৬ ডলার কেটে রাখবে সার্ভিস চার্জ হিসেবে। এটা সামান্যই।

অর্থ গ্রহনের আরেকটি সহজ পথ হচ্ছে এলার্ট-পে। এখানে খুব সহজে একাউন্ট করা যায়, সেখানে টাকা জমা হলে ব্যাংক থেকে উঠানো যায় বা ইন্টারনেটে খরচ করা যায়।  একাউন্ট করার নিয়ম জেনে নিন এখানে

প্রতিকুলতা যতই থাক, কাজ করা সম্ভব। চাকরী বা ব্যবসার চিন্তা করে, অন্যের জন্য অপেক্ষায় সময় নষ্ট না করে নিজেই কিছু করার চেষ্টা করুন। অনেকেই করছে।

এলার্ট-পে একাউন্ট কিভাবে তৈরী করবেন

ইন্টারনেটে যেভাবেই আয় করুন না কেন টাকা পাওয়ার জন্য কোন একটি পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে। এধরনের একটি জনপ্রিয় পদ্ধটি এলার্ট-পে। অধিকাংশ পিটিসি সাইট শুধুমাত্র পেপল এবং এলার্ট পে এর মাধ্যমে টাকা দেয়। আপনার যদি পেপল ব্যবহারের সুযোগ না থাকে তাহলে এলার্ট-পে একমাত্র ব্যবস্থা হয়ে দাড়ায়। অনেকেই ঠিক কিভাবে এলার্ট-পে এর সদস্য হতে সমস্যায় পড়েন। এখানে এলার্ট পে এর সদস্য হওয়ার পদ্ধতি ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হচ্ছে।
তাদের সাইটে গিয়ে বাটনে Sign-Up ক্লিক করুন।
.          দেশের নামের তালিকা থেকে দেশের নাম সিলেক্ট করুন।
.          এলাট-পে তে ৩ ধরনের একাউন্ট ব্যবহার করা যায়। পারসোনাল ষ্টার্টার একাউন্টে কোন খরচ নেই কিন্তু সীমাবদ্ধতা হচ্ছে বেশি টাকা লেনদেন করা যায় না। পারসোনাল প্রো এর খরচ কম (সদস্য হওয়ার খরচ নেই, টাকা লেনদেনের জন্য কিছু ফি দিতে হয়) আর বিজনেস একাউন্টে খরচ বেশি। সাধারনভাবে পারসোনাল প্রো একাউন্ট বেশি গ্রহনযোগ্য। পছন্দসই একাউন্টের জন্য Create Account বাটনে ক্লিক করুন।
.          পরবর্তী স্ক্রিনে আপনার যোগাযোগের তথ্য দিতে হবে। এখানে নাম (First Name, Last Name, দুটি অংশে), ফোন নাম্বার, ঠিকানা (দুই বা এক লাইনে), শহরের নাম, দেশের নাম (আগে দেয়া হয়েছে), রিজিয়ন (মুলত শহরের নাম) এবং পোষ্টাল কোড এই তথ্যগুলি ঠিকভাবে টাইপ করে দিন। এরপর নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন।
.          পরবর্তী স্ক্রিনে আপনার ইমেইল এড্রেস দিন।
.          পাশওয়ার্ড অংশে এলার্ট-পেতে যে পাশওয়ার্ড ব্যবহার করতে চান সেটি টাইপ করুন এবং দ্বিতীয়বার টাইপ করে নিশ্চিত হোন সেখানে ভুল করেননি। পাশওয়ার্ডটি নিরাপদ যায়গায় লিখে রাখুন।
.          পাশওয়ার্ড ভুলে গেলে নিরাপত্তামুলক প্রশ্ন থেকে সেটা বের করার ব্যবস্থা করা যায়। এজন্য দুটি প্রশ্ন বাছাই করুন এবং তার উত্তর টাইপ করে দিন। কোন শহরে জন্ম, প্রিয় শহর কোনটি এধরনের দুটি নাম ব্যবহার করতে পারেন।
.          সবশেষে স্ক্রিনে দেখা অক্ষরদুটি ঠিকভাবে টাইপ করুন নির্দিষ্ট যায়গায়। এটা করা হয় যেন কেউ সফটঅয়্যার ব্যবহারে করে একাউন্ট তৈরী না করে।
.          রেজিষ্টার বাটনে ক্লিক করুন। পরবর্তী স্ক্রিনে আপনাকে জানানো হবে আপনার কাছে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।
.          ইমেইল ওপেন করুন এবং পাঠানো মেইলটি ওপেন করুন। সেখানে তাদের দেয়া লিংক পাবেন। আপনার ইমেইল এড্রেস ঠিক আছে যাচাই করার জন্য এটা করা হয়। ক্লিক করুন। তাদের সাইট ওপেন হলে সেখানে আপনার পাশওয়ার্ড ব্যবহার করে লগ-ইন করতে পারবেন।
.          এলার্ট পে-তে লেনদেনের সময় একটি কোড (পিন) ব্যবহার করতে হয়। প্রথমবার ঢোকার পর আপনাকে পিনটি টাইপ করে দিতে হবে এবং দ্বিতীয়বার টাইপ করে ভেরিফাই করতে হবে। এটিও এক ধরনের পাশওয়ার্ড, ৪ থেকে ৮টি অক্ষর বিশিষ্ট সংখ্যা হতে হবে। একেও পাশওয়ার্ডের মত সংরক্ষন করুন।
.          সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে আপনার একাউন্ট তৈরী এবং একটিভেশনের কাজ শেষ হবে। আপনার একাউন্টের তথ্য দেখতে পাবেন।

এলার্ট-পে ব্যবহার করে বিভিন্ন কাজের জন্য তথ্য রয়েছে তাদের সাইটে। এছাড়া প্রাথমিক কাজগুলি করার জন্য ইউটিউব ভিডিও রয়েছে। তাদের মুল পেজে ভিডিওগুলির লিংক পাবেন।