Friday, December 20, 2013

এডসেন্স এর বিকল্প বিজ্ঞাপন ব্যবস্থা চিতিকা

আপনার মনে যদি থাকে গুগলের লাভজনক ব্যবসা এডসেন্স এর মত অন্য কেউ ব্যবসা করছে না কেন তাহলে উত্তর, করছে। চিতিকা গুগলের এডসেন্সর মত আরেকটি বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। আপনি তাদের সদস্য হয়ে আপনার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করতে পারেন। কোন ব্যবহারকারী সেই বিজ্ঞাপনে ক্লিক করলে আপনি পেইড পার ক্লিক (PPC) পদ্ধতিতে টাকা পাবেন।
চিতিকা মুলত আমেরিকা, বৃটেন, কানাডা ইত্যাদি দেশের জন্য বিশেষভাবে কাজ করে। কাজেই তাদের টার্গেট করে ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরী করলে আয় বেশি। অন্যভাবে, এইসব দেশের ভিজিটর যত বেশি আপনার আয় তত বেশি।
জিতিকায় দুধরনের একাউন্ট খোলা যায়। সিলভার এবং গোল্ড। আপনার সাইটে আমেরিকান ভিজিটরের সংখ্যা যদি দৈনিক ৫ হাজার হয় তাহলে আপনি গোল্ড মেম্বারশীপ পাবেন। নইলে সিলভার মেম্বারশীপ।  গোল্ড মেম্বারশীপের সুযোগ পেলে আপনি আপনার সাইটের সাথে মিল রেখে বিজ্ঞাপন পাবেন। সেইসাথে বেশি CTR, ফলে ক্লিক প্রতি আয় বেশি। অন্যদিকে সিলভার মেম্বারশীপে পাবেন সাধারন বিজ্ঞাপন লিংক।
চিতিকার বেশকিছু অন্যান্য সুবিধেও রয়েছে। তাদের সদস্য হওয়া এডসেন্স থেকে সহজ। তাদের সাইটে গিয়ে নিজের নাম-পরিচয় এবং ওয়েবসাইটের ঠিকানা দিয়ে এপ্লাই করুন। এক সপ্তাহের মধ্যে উত্তর পাবেন। অন্যান্য সুবিধের মধ্যে রয়েছে এডসেন্স এবং চিতিকা দুটিই এক ওয়েবসাইটে ব্যবহারের সুযোগ। তারা টাকা দেয় পে-পল অথবা চেক এর মাধ্যমে।
কাজেই এডসেন্স ব্যবহার করুন বা নাই করুন, চিতিকা ব্যবহার করতে কোন বাধা নেই।
তাদের ঠিকানা 'www.chitika.com'

ফ্রিল্যান্সিং কাজে সবচেয়ে বড় ভুল

মানুষ ভুল থেকে শেখে। ফ্রিল্যান্সারদের ক্ষেত্রে একথা সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। প্রতিপদে সমস্যায় পড়ে তাদেরকে শিখতে হয়। প্রত্যেকেরই রয়েছে নিজস্ব নানারকম অভিজ্ঞতা। নিজে ঠকার আগে অন্যের অবস্থা থেকে কি শেখা যায় না!
কোন কাজগুলি সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে জেনে নিন। হয়ত আগে থেকেই সাবধানে থাকতে পারেন।
.          কমদাম
প্রত্যেক ফ্রিল্যান্সারই মনে করেন তাকে হয়ত কম টাকা দেয়া হচ্ছে। তারপরও কম টাকায় কাজ করতে হয়। যখন ঘন্টা হিসেবে কাজ করা হয় তখন বিষয়টি আরো জটিল হয়ে দাড়ায়। আপনি ৪ ঘন্টা কাজ করলে ঘন্টা হিসেবে ৪ ঘন্টার টাকা পাবেন। কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি সেকাজ করতে পারেন আধ ঘন্টায়। তিনি কত টাকার বিল করবেন ? তিনি আধ ঘন্টা কাজ করেছেন সেটা ঠিক, কিন্তু তার যে অভিজ্ঞতা সেটা অর্জন করতে বহু বছর ব্যয় করতে হয়েছে। তার মুল্য কোথায় ?
যদি সত্যিকারের মুল্য হিসেব করতে হয় তাহলে সময়, জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা সবকিছু মিলিয়ে মুল্য হিসেব করুন।

.          অতি-ততপরতা
আপনি একজন ক্লায়েন্টে কাজ করবেন, তাকে খুশি করার জন্য যত দ্রুত সম্ভব করে দেবেন। সেটা অবশ্যই ঠিক, কিন্তু আপনি একজন ফ্রিল্যান্সার। এর অর্থই হচ্ছে আপনি এর বাইরেও অন্য কিছু কাজে সময় ব্যয় করেন। কি হবে যদি অন্য কাজের কারনে সেই সময়ে কাজটি করে দিতে না পারেন ? অসংখ্য কারন ঘটতে পারে যেখানে আপনি যে হিসেব করেছেন সেই হিসেবে গড়মিল হতে পারে।
যে সময়ে কাজ করা সম্ভব তারথেকে বেশি সময় হাতে রেখে বিষয়টি সামাল দিতে পারেন।
.          বিক্রি করতে না পারা
ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি আপনার দক্ষতা বিক্রি করবেন। আপনি ভাল কাজ জানেন, অণ্যের কাজ ভালভাবে করে দিতে পারেন কিন্তু তারা আপনার মুল্যায়ন করতে পারছেন না। নিশ্চয়ই কোথাও গড়মিল রয়েছে। আপনি বুঝাতে ব্যর্থ হচ্ছেন তারা কি চায়।
অন্যে যেভাবে চায় সেভাবে চিন্তা করুন। এমনভাবে প্রস্তাব দিন যেন তারা তাদের উপকার মনে করে। মনোযোগ দিয়ে শুনুন, নিজে কথা কম বলুন।
.          সবসময় হ্যা বলা
হ্যা না বললে কাজ হাতছাড়া হবে সেকারনে হ্যা বলতে হবে, এটা বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। ক্লায়েন্ট যে কাজ করাতে চান তিনি সে বিষয়ে যথেষ্ট জানবেন এমন কথা নেই। তিনি ভুল বললেও যদি খুশি করার জন্য হ্যা বলে যান তাতে তিনি সন্তুষ্ট নাও হতে পারেন। তার সব কথার সাথে একমত না হয়েও তারসাথে ভাল বন্ধুত্বের সম্পর্ক রাখতে পারেন।
.          যোগাযোগ না রাখা
আপনার কাজে কেউ খুবই খুশী হয়েছে। কাজ নেই বলে তারসাথে কোন সম্পর্ক না রাখা একটি ভুল। তার কাজ না থাকলেও অন্যের কাজের জন্য আপনার কথা উল্লেখ করতে পারেন তিনি। আপনার কাজে যিনি সন্তুষ্ট তিনি আপনার পক্ষেই মত দেবেন।
কাজ থাকুক বা না থাকুক, ক্লায়েন্টের সাথে সুসম্পর্ক রাখতে চেষ্টা করুন।

ফেসবুক থেকে আয়

ফেসবুক নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছূ নেই। সবচেয়ে জনপ্রিয় সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট, ইচ্ছে করলে যে কোন সময় নিজের নাম লিখিয়ে সদস্য হতে পারেন, অল্প কথায় আপনার বক্তব্য প্রকাশ করতে পারেন, ছবি সেখানে রেখে অন্যদের দেখাতে পারেন। এর মাধ্যমে অন্য ফেসবুক সদস্যদের সাথে বন্ধুত্ব গড়তে পারেন। যাকে পছন্দ তারজন্য লাইক বাটনে ক্লিক করবেন। বেশি বন্ধু বিষয়টিকে কৃতিত্ব হিসেবে দেখা হয়। বিখ্যাত ব্যক্তিদের অনেকের রয়েছে লক্ষ লক্ষ বন্ধু।
আপনার ফেসবুকের বন্ধুর সংখ্যাকে ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বলা হয় ফেসবুকের ব্যবহারকারী ৭০ কোটি। কাজেই বড় ধরনের সুযোগ সেখানে রয়েছে।
প্রথম কথা, আপনার বন্ধু বেশি এই কারনে ফেসবুক আপনাকে টাকা দেবে না। আপনাকে আয় করতে হবে একে প্রচার কাজে ব্যবহার করে। কি কি পদ্ধতিতে সেটা করা যায় জানা যাক।
.          আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার এর মত সাইট দেখেন সেখানে অনেকে বিজ্ঞাপন দিচ্ছে অত সংখ্যক ফেসবুক (কিংবা টুইটার) ভক্ত চাই। অনেক সময় নির্দিষ্ট করে আমেরিকার কথা উল্লেখ করা হয়। আপনার যদি সেই পরিমান বন্ধু থাকে তাহলে আপনি সেখানে নিজের নাম লেখানোর অর্থ আপনার বন্ধুদের নাম লেখানো। আপত্তিকর শোনাতে পারে, আপনার বন্ধুদের নাম তারকাছে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করা। আপনার বন্ধু যত বেশি আয় তত বেশি।
.          এফিলিয়েটে মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় করা। আপনি কোন প্রতিস্ঠানের এফিলিয়েশন নেবেন। তাদের পন্য বা সেবার কথা লিংকসহ উল্লেখ করবেন আপনার ফেসবুক পেজে। কেউ সেখানে ক্লিক করে সেই সেবা নিলে বা কিছু কিনলে আপনি অর্থ পাবেন। অনেক ক্ষেত্রে কেউ ক্লিক করলেই আপনি অর্থ পাবেন। ক্যাশ-ক্লিক নামে একটি সফটঅয়্যার রয়েছে ফেসবুকে যা পিটিসি হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
.          কিছু বিক্রি করা। ফেসবুক পেজ যেহেতু প্রচারের যায়গা হিসেবে ব্যবহার করা যায় সেহেতু তার মাধ্যমে প্রচার করে কিছু বিক্রি করা যেতেই পারে। যারা অর্থ দিয়ে ফেসবুক বন্ধু কেনেন তারাও এই উদ্দেশ্যেই কেনেন।
.          নিজস্ব ওয়েবসাইটের সাথে ফেসবুক ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের প্রচার বাড়াতে পারেন। হয়ত লক্ষ্য করেছেন প্রতিটি ওয়েবসাইট ফেসবুকে একটি পেজ ব্যবহার করেন প্রচারের কাজে। আর প্রচারেই প্রসার।
     ফেসবুকের জন্য সফটটঅয়্যার তৈরী করে বিপুল পরিমান অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এজন্য আপনাকে কিছুটা প্রোগ্রামিং জানতে হবে, তবে ভয় পাবেন না। শুধুমাত্র ইন্টারনেট ব্যবহার করেই জানার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু পাবেন। বহু ওয়েবসাইট রয়েছে শেখানোর জন্য।
আয়ের পদ্ধতি যাই হোক না কেন, আপনার প্রথম প্রয়োজন ফেসবুক একাউন্ট এবং সেখানে যথেষ্ট পরিমান বন্ধু। যদি এখনও সেটা না থাকে আপাতত এখান থেকেই শুরু করুন।
আর যদি ফেসবুক একাউন্ট থাকে তাহলে এখান থেকে আয় শুরু করুন। 

ইন্টারনেটে সহজে আয়ের জন্য fast2earn এফিলিয়েশন

ইন্টারনেট থেকে সহজে আয়ের সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি এফিলিয়েশন। কোন কোম্পানী হয়ে প্রচার করবেন। এফিলিয়েশন থেকে আয় বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠালে প্রতি ভিজিটরের জন্য টাকা পাবেন,  কেউ সদস্য হলে আরো বেশি টাকা পাবেন, কিছু বিক্রি হলে তারথেকেও বেশি কমিশন পাবেন। প্রচার করতে পারেন নিজের ওয়েবসাইটে, ব্লগে, ফেসবুক-টুইটারে কিংবা এগুলি যদি নাও থাকে শুধুমাত্র ইমেইল ব্যবহার করেও অন্যের কাছে লিংক পাঠাতে পারেন। সেই লিংকে কেউ ক্লিক করলে আপনি টাকা পাবেন।
undefined
এধরনের একটি সহজ নেটওয়ার্ক ফাষ্ট২আর্ন। কিভাবে এই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করবেন জেনে নিন।
.          তাদের সাইটে যান fast2earn
.          নিজের নাম এবং ইমেইল এড্রেস দিন।
.          পছন্দমত পাশওয়ার্ড টাইপ করে দিন।
সদস্য হওয়ার জন্য এটুকুই যথেষ্ট। সাথেসাথেই আপনার একাউন্ট তৈরী হবে। নিজের একাউন্টে ঢুকুন।
.          Banners লেখা বাটনে ক্লিক করুন। বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপনের ব্যানার দেখতে পাবেন। কোন বিজ্ঞাপন থেকে কত আয় হবে সেটাও দেখা যাবে। পছন্দমত কোন বিজ্ঞাপন ব্যবহারে জন্য তার সাথে দেয়া Get Banner Code বাটনে ক্লিক করুন। সেখানে কোড পাওয়া যাবে।
.          কোডটি কপি করুন এবং আপনার ব্লগ, ওয়েবসাইট, ফেসবুক, ইমেইল ইত্যাদি যায়গায় ব্যবহার করুন। সেখানে ব্যানারটি দেখা যাবে।
আপনার কত আয় হয়েছে সেটা আপনার সাইটে লগ-ইন করলেই দেখা যাবে। তারা টাকা দেয় পেপল ছাড়া এলার্ট-পে এবং ব্যাংকচেকের মাধ্যমে। কাজেই বাংলাদেশ থেকে ব্যবহার করতে সমস্যা নেই।
এলার্ট পে এর সদস্য না হয়ে থাকলে এখনই সদস্য হয়ে নিন এবং আয় শুরু করুন। সাধারনভাবে প্রতিজন লিংকে ক্লিকের জন্য (একই ব্যক্তির বারবার ক্লিক করা যাবে না) আয় ৭ সেন্ট, সেই লিংক থেকে কেউ সদস্য হলে ১.৮ ডলার এবং কেউ কিছু কিনলে ১৫% কমিশন এটাই নিয়ম। তবে বিজ্ঞাপনভেদে তারতম্য আছে।
যত বেশি প্রচার করতে পারবেন আপনার আয় তত বেশি। কাজেই যদি ব্লগ না থাকে তাহলে ব্লগ তৈরী করে নিন। এই সাইটে ব্লগ তৈরীর টিউটোরিয়াল রয়েছে।

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের ৫টি সেরা পথ, Internet earning

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের বহু উপায় রয়েছে। এই সাইটে প্রায় সবগুলি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন কোনটি করবেন না এই নিয়ে। সেইসাথে বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। অনেক সহজ কাজও জটিল কিংবা অসম্ভব হয়ে দাড়ায় অনেকের কাছে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতির তুলনামুলক চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে এই লেখায়।

১. গুগল এডসেন্স
গুগল এডসেন্স সবচেয়ে সেরা উপায় এতে আপত্তি করবেন না কেউই। প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও, নিজে কিছু বিক্রি না করেও মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায়। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই। প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা।
ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। দৈনিক অন্তত ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম।
গুগল এডসেন্স এর মত আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে চিতিকা (chitika) নামে। ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।

২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
অনেকে বলেন এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের প্রচার করা। নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠানেই, কোন কোম্পানী দেয় সেই ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানী/বিষয়ও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এর মত প্রতিস্ঠানের সহযোগিতা পাওয়া যায় এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজে।
এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী, সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম বেশি।

৩. ফ্রিল্যান্সিং 
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যেতে চান না, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন থেকে শুরু করে, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করার জন্য রয়েছে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান। সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, তারা আপনার দক্ষতায় সন্তুষ্ট হলে কাজের অনুমতি দেবে। আপনি কাজ করে জমা দেবেন এবং আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে।
ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয় ঘন্টাপ্রতি অথবা নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী এককালীন চুক্তি অনুযায়ী। কাজের জটিলতা অনুযায়ী কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
www.freelancer.com , www.odesk.com  ইত্যাদি এধরনের কাজে বড় প্রতিস্ঠান।

৪. নিজে বিক্রি করা
নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। সেকারনে লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে।
আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন, সেগুলি তৈরী করবেন অথবা অন্যের কাছ থেকে কিনবেন, এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন, আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। সারা বিশ্বের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে।

৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন।
মুলত পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক। একাজে সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তিগতভাবে করা যায় না, প্রতিস্ঠান হিসেবে কাজ করতে হয়। তবে সেটা সংবাদপত্র হতে হবে এমন কথা নেই। মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট হতে পারে। যেমন বিভিন্ন পণ্যের পরিচিতি এবং দাম নিয়ে যেমন মানুষের আগ্রহ সেই বিষয় নিয়েই অনেকগুলি বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট রয়েছে। চাকরী বা অন্য তথ্য নিয়ে সাইটও লক্ষ লক্ষ ভিজিটর পেতে পারে।

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের ৫টি সেরা পথ, Internet earning

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের বহু উপায় রয়েছে। এই সাইটে প্রায় সবগুলি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন কোনটি করবেন না এই নিয়ে। সেইসাথে বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। অনেক সহজ কাজও জটিল কিংবা অসম্ভব হয়ে দাড়ায় অনেকের কাছে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতির তুলনামুলক চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে এই লেখায়।

১. গুগল এডসেন্স
গুগল এডসেন্স সবচেয়ে সেরা উপায় এতে আপত্তি করবেন না কেউই। প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও, নিজে কিছু বিক্রি না করেও মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায়। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই। প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা।
ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। দৈনিক অন্তত ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম।
গুগল এডসেন্স এর মত আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে চিতিকা (chitika) নামে। ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।

২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
অনেকে বলেন এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের প্রচার করা। নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠানেই, কোন কোম্পানী দেয় সেই ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানী/বিষয়ও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এর মত প্রতিস্ঠানের সহযোগিতা পাওয়া যায় এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজে।
এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী, সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম বেশি।

৩. ফ্রিল্যান্সিং 
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যেতে চান না, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন থেকে শুরু করে, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করার জন্য রয়েছে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান। সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, তারা আপনার দক্ষতায় সন্তুষ্ট হলে কাজের অনুমতি দেবে। আপনি কাজ করে জমা দেবেন এবং আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে।
ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয় ঘন্টাপ্রতি অথবা নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী এককালীন চুক্তি অনুযায়ী। কাজের জটিলতা অনুযায়ী কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
www.freelancer.com , www.odesk.com  ইত্যাদি এধরনের কাজে বড় প্রতিস্ঠান।

৪. নিজে বিক্রি করা
নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। সেকারনে লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে।
আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন, সেগুলি তৈরী করবেন অথবা অন্যের কাছ থেকে কিনবেন, এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন, আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। সারা বিশ্বের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে।

৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন।
মুলত পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক। একাজে সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তিগতভাবে করা যায় না, প্রতিস্ঠান হিসেবে কাজ করতে হয়। তবে সেটা সংবাদপত্র হতে হবে এমন কথা নেই। মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট হতে পারে। যেমন বিভিন্ন পণ্যের পরিচিতি এবং দাম নিয়ে যেমন মানুষের আগ্রহ সেই বিষয় নিয়েই অনেকগুলি বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট রয়েছে। চাকরী বা অন্য তথ্য নিয়ে সাইটও লক্ষ লক্ষ ভিজিটর পেতে পারে।

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের ৫টি সেরা পথ, Internet earning

ইন্টারনেটে অর্থ উপার্জনের বহু উপায় রয়েছে। এই সাইটে প্রায় সবগুলি নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে। অনেকেই দ্বিধায় পড়েন, কোনটি করবেন কোনটি করবেন না এই নিয়ে। সেইসাথে বাংলাদেশের জন্য স্থানীয় কিছু সমস্যা তো রয়েছেই। অনেক সহজ কাজও জটিল কিংবা অসম্ভব হয়ে দাড়ায় অনেকের কাছে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জনের সুবিধা-অসুবিধা অনুযায়ী ৫টি পদ্ধতির তুলনামুলক চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে এই লেখায়।

১. গুগল এডসেন্স
গুগল এডসেন্স সবচেয়ে সেরা উপায় এতে আপত্তি করবেন না কেউই। প্রোগ্রামিং বা এইধরনের কোন ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা না থেকেও, নিজে কিছু বিক্রি না করেও মাসে কয়েক হাজার ডলার আয় করা যায়। এমনকি গুগলের ব্লগার ব্যবহার করে কোনরকম খরচ ছাড়াই। প্রয়োজন শুধু সময় ব্যয় করা এবং চারিদিকে দৃষ্টি রেখে নিজের ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার ব্যবস্থা করা।
ভাল ফল পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর ভিজিটর ভিজিট করবেন। এধরনের ওয়েবসাইট তৈরী এবং ভিজিটর পেতে কয়েক মাস থেকে কয়েক বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। দৈনিক অন্তত ১ হাজার ভিজিটর না পেলে খুব বেশি আয়ের সম্ভাবনা কম।
গুগল এডসেন্স এর মত আরেকটি ব্যবস্থা রয়েছে চিতিকা (chitika) নামে। ব্যবহারের পদ্ধতি এডসেন্স এর মতই।

২. এফিলিয়েটেড মার্কেটিং
অনেকে বলেন এফিলিটেড মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সীমা হচ্ছে আকাশ। আপনি যত চেষ্টা করবেন তত বেশি আয় করবেন। আপনার কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটে যারা কিছু বিক্রি করে (পন্য বা সেবা) তাদের প্রচার করা। নিজের ওয়েবসাইট থাকলে সুবিধে বেশি, না থাকলেও অন্যভাবে করা যায়। কোন কোন কোম্পানী টাকা দেয় তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠানেই, কোন কোম্পানী দেয় সেই ভিজিটর কিছু কিনলে। ৭৫% পর্যন্ত কমিশন দেয়ার মত কোম্পানী/বিষয়ও রয়েছে। আমাজন, ই-বে এর মত প্রতিস্ঠানের সহযোগিতা পাওয়া যায় এফিলিয়েটেড মার্কেটিং কাজে।
এফিলিয়েটেড মার্কেটিং এর জন্য নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে বেশি সুবিধে পাবেন। শুধুমাত্র এই কাজের জন্যই বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী, সেখানে বিভিন্ন পন্য যোগ করার ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও এই ব্যবস্থায় আয় বেশি তারপরও এডসেন্সর এর পর ২য় অবস্থানে থাকার কারন একাজে বুদ্ধিমত্তা, মার্কেটিং এর দক্ষতা এবং পরিশ্রম বেশি।

৩. ফ্রিল্যান্সিং 
আপনি ওয়েবসাইট তৈরী কিংবা মার্কেটিং এর ঝামেলায় যেতে চান না, অথচ কম্পিউটারের কোন কাজে দক্ষ। সেটা ফটোশপ ব্যবহার করে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন থেকে শুরু করে, প্রোগ্রামিং থেকে ডাটা এন্ট্রি, ভিডিও এডিটিং কিংবা এনিমেশন যে কোন কিছুই হতে পারে। তাহলে আপনার জন্য ফ্রিল্যান্সিং। কাজ দেয়ার ক্ষেত্রে মধ্যস্থতা করার জন্য রয়েছে অনেকগুলি প্রতিস্ঠান। সেখানে নিজের নাম তালিকাভুক্ত করবেন (কোন খরচ নেই), তাদের কাজের তালিকা দেখে এপ্লাই করবেন, তারা আপনার দক্ষতায় সন্তুষ্ট হলে কাজের অনুমতি দেবে। আপনি কাজ করে জমা দেবেন এবং আপনার একাউন্টে সেই কাজের পারিশ্রমিক জমা হবে।
ফ্রিলান্সিং কাজে পেমেন্ট দেয়া হয় ঘন্টাপ্রতি অথবা নির্দিষ্ট কাজ অনুযায়ী এককালীন চুক্তি অনুযায়ী। কাজের জটিলতা অনুযায়ী কয়েক ডলার থেকে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে এই চুক্তি। মধ্যস্থতাকারী থাকে বলে টাকা হাতছাড়া হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
www.freelancer.com , www.odesk.com  ইত্যাদি এধরনের কাজে বড় প্রতিস্ঠান।

৪. নিজে বিক্রি করা
নিজে বিক্রি করলে লাভ বেশি, সেইসাথে পরিশ্রমও বেশি। সেকারনে লাভ বেশি থাকার পরও একে ৪ নম্বরে রাখতে হচ্ছে।
আপনি কিছু পন্য ঠিক করবেন, সেগুলি তৈরী করবেন অথবা অন্যের কাছ থেকে কিনবেন, এরপর ওয়েবসাইটে রেখে দেবেন। যিনি কিনতে চান তিনি সেখানে ক্লিক করে কিনবেন, আপনি সেটা তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। ফটোগ্রাফ, ই-বুক, সফটঅয়্যার এর মত পন্য সরাসরি ইমেইল করে পাঠাতে পারেন কিংবা ডাউনলোডের ব্যবস্থা রাখতে পারেন। ছাপা বই বা অন্য পন্য হলে পার্সেল করে পাঠাতে হবে। সারা বিশ্বের মানুষই কেনাকাটা করে অনলাইনে। কাজেই এই মুহুর্তে বাংলাদেশের মত দেশে বিষয়টি চালু না থাকলেও একসময় হবে।

৫. অনলাইন বিজ্ঞাপন
জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন।
মুলত পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক। একাজে সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তিগতভাবে করা যায় না, প্রতিস্ঠান হিসেবে কাজ করতে হয়। তবে সেটা সংবাদপত্র হতে হবে এমন কথা নেই। মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট হতে পারে। যেমন বিভিন্ন পণ্যের পরিচিতি এবং দাম নিয়ে যেমন মানুষের আগ্রহ সেই বিষয় নিয়েই অনেকগুলি বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট রয়েছে। চাকরী বা অন্য তথ্য নিয়ে সাইটও লক্ষ লক্ষ ভিজিটর পেতে পারে।

ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে ১০টি ভুল ধারনা

ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন বর্তমানে অত্যন্ত আলোচিত বিষয়। বিভিন্ন সুত্র থেকে যারা এবিষয়ে খোজখবর নিচ্ছেন তারা প্রায়ই কিছু ভুল ধারনার শিকার হন।  একাজে হাত দেয়ার আগে ভুল ধারনাগুলি সম্পর্কে জেনে নিন।

.          খুব সহজে, বিনা পরিশ্রমে ইন্টারনেটে আয় করা যায়
এটা সবচেয়ে বড় ভুল ধারনা। আপনি আশা করছেন একজন চাকুরীজীবী কিংবা ব্যবসায়ীর থেকে বেশি আয় করবেন অথচ পরিশ্রম করবেন না এটা বাস্তবসম্মত হতে পারে না। ইন্টারনেটে যে পদ্ধতিতেই আয় করুন না কেন, আপনাকে যথেস্ট সময় এবং মেধা ব্যয় করতে হবে।
.          ইন্টারনেটে আয় করা সকলের পক্ষে সম্ভব না
এটা আরেকটা বড় ভুল ধারনা। ইন্টারনেটে কাজ বলতে যেমন দক্ষ প্রোগ্রামিং বুঝায় তেমনি তুলনামুলক সহজ গ্রাফিক ডিজাইন বুঝায়, কিংবা আরো সহজ ডাটা এন্ট্রি বুঝায়। যে কোন শিক্ষিত মানুষের পক্ষে মানানসই কাজ খুজে নেয়া সম্ভব। তবে একথা অবশ্যই ঠিক, দক্ষতা যত বেশি আয়ের সুযোগ তত বেশি। দক্ষতা যেহেতু বাড়ানো যায় সেহেতু সুযোগও বাড়ানো যায়।
.          পেইড-টু-ক্লি (PTC) সহজে আয়ের কার্যকর পদ্ধতি
পিটিসি হচ্ছে কোন ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক করবেন আর আপনার নামে টাকা জমা হবে। বিষয়টি সত্যি। তবে যতটা প্রচার করা হয় ততটা না। আপনি কতগুলি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন সেটা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়। কাজ করে টাকা না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
.          ইন্টারনেটে আয় করতে নিজের খরচে ওয়েবসাইট তৈরী করতে হয়
একেবারে বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী করা যায়। কাজেই ওয়েবসাইট তৈরী, ডোমেন কিংবা হোষ্টিং এর খরচ ছাড়াই সব কাজ করা সম্ভব। তবে নিজস্ব ডোমেন-হোষ্টিং সবসময়ই ভাল।
.          ক্রেডিট কার্ড বা পে-পল একাউন্ট নেই, ফলে একাজ সম্ভব নাকিছুটা সত্যি। ক্রেডিট কার্ড থাকলে কাজের সুবিধে হয়, পে-পল একাউন্ট থাকলেও সুবিধে হয়। তারপরও মানুষ কাজ করছে এগুলি ছাড়াই। অন্য যে পদ্ধতিগুলি রয়েছে সেগুলি ব্যবহার করে কাজ করা সম্ভব।
.          অনেকগুলি সাইটে অনেকগুলি এডসেন্স ব্যবহার করলে আয় বেশি
এডসেন্সে লাভ দেখে অনেকেই একাধিক এডসেন্স একাউন্ট ব্যবহারে আগ্রহি হন। এটা ভুল পথ। গুগল কোনএকসময় সেটা ধরে ফেলবে এবং সবগুলি একাউন্ট বন্ধ করে দেবে।
.          সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে দ্রুত আয় বাড়ে
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে অবশ্যই সাইটের পরিচিতি বাড়ে কিন্তু এডসেন্সকে টার্গেট করে যদি সেটা করেন তাহলে গুগল সেটা পছন্দ করে না। গুগল এমন সাইটে লাভজনক এডসেন্স বিজ্ঞাপন দেয় সেখানে ভিজিটর নিজে আগ্রহি হয়ে যায়। ফলে কোন সাইটে প্রতি ক্লিকে পাওয়া যায় কয়েক সেন্ট, কোন সাইটে কয়েক ডলার।
.          ইন্টারনেটে আয়ের জন্য কোন খরচ নেই
বিনামুল্যের সবসময়ই কিছু খারাপ দিক থাকে। ভাল হোষ্টিং, প্রয়োজনীয় সফটঅয়্যার, প্রচারের জন্য এডওয়ার্ডস বিজ্ঞাপন সবকিছুই ভাল আয়ের সহায়ক।
.          ইন্টারনেটে আয়ের ক্ষেত্রে ভৌগলিক সীমারেখা নেইঅনেক সেবার ক্ষেত্রেই অনেক দেশে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বাংলাদেশে যেমন পে-পল ব্যবহার করা যায় না, ক্লিক ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যায় না, কোন কোন সাইটে ঢোকা যায় না ইত্যাদি। কোন সেবা কোনদেশে প্রযোজ্য আগে জেনে নেয়াই ভাল।
.           ইন্টারনেটে কিভাবে কাজ করতে হয় শেখার জন্য কোর্স করা প্রয়োজন
আপনি যখন আয় করতে চান ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তখন শেখার জন্যও ইন্টারনেট সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন যায়গা। যে বিষয়ই জানতে চান না কেন, ইন্টারনেট সার্চ করলে তথ্য পাওয়া যাবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সদস্য হোন, ফোরামে যোগ দিন, সেখানকার বক্তব্যগুলি বোঝার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে সেখানে সমস্যার কথা জানান। কেউ না কেউ উত্তর দেবেন।

ইন্টারনেট থেকে আয় : কাজ কিভাবে পাবেন

চাকরী বা ব্যবসার বদলে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে আপনি যথেষ্ট পরিমান আয় করতে পারেন। সেটা ডাটা এন্ট্রির মত সহজ কাজই হোক আর প্রোগ্রামিং এর মত দক্ষতার কাজই হোক। অনেকে বলেন এটাই ভবিষ্যতের কাজের নিয়ম। বর্তমানে যেমন কোন কোম্পনীকে কাজ করানোর জন্য বেতন দিয়ে কর্মী নিয়োগ করতে হয়, ভবিষতে তারা একাজের জন্য ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করবেন। যে কেউ যোগাযোগ করে সেই কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এতে দুপক্ষেরই লাভ।
সাধারনভাবে আউটসোসিং নামে পরিচিত এই কাজ আপনি করবেন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে। কাজের তালিকা দেখে ঠিক করবেন আপনি কোন কাজ করতে চান, সেজন্য যোগাযোগ করবেন। তারা যদি মনে করে আপনি সেকাজ ঠিকভাবে করতে পারবেন তাহলে তারা কাজ দেবেন।
অনেকগুলি প্রতিস্ঠান ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এধরনের কাজের মধ্যস্থতা করে। আপনি যদি কাজ খোজ করেন তাহলে তাদের সাইটে গিয়ে কাজের তালিকা দেখতে পারেন। আর যারা আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে কাজ করাতে চান তারা তাদের কাজের বর্ননা তাদের সাইটে দিতে পারেন। ফল হিসেবে আপনি যখন কর্মী কথন সেখানে দেখবেন কাজের তালিকা, আর আপনি যখন কাজ করাবেন তখন আপনি দেখবেন কর্মীর তালিকা।
এধরনের কিছু সাইটের পরিচিতি তুলে ধরা হচ্ছে এখানে


আউটসোর্সিং কাজের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাইট। মোট ৯টি ক্যাটাগরীতে অসংখ্য ধরনের কাজ পাওয়া যায় তাদের সাইটে। বিভাগ অনুযায়ী কাজ খুজে সেই কাজের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।
তাদের সাথে কাজ করার জন্য একটি ফরম পুরন করে সদস্য হতে হবে। আপনি যে বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহি সে বিষয়ে পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারন সদস্য হিসেবে আপনি সপ্তাহে দুটি কাজের জন্য আবেদন জানাতে পারেন। পরীক্ষা দিয়ে সার্টিফায়েড সদস্য হয়ে সেই সংখ্যা বাড়াতে পারেন।
তারা পারিশ্রমিকের ১০ ভাগ নিজেরা নেয়। অবশ্য কর্মী হিসেবে আপনি সেটা জানার সুযোগ পাবেন না। ১০ভাগ বাদ দেয়ার পর যে পরিমান সেটাই আপনাকে জানানো হবে, কাজেই আপনার হিসেবে তারা আপনার কাছে কোন অর্থ নিচ্ছে না।

আরেকটি জনপ্রিয় সাইট। তাদের সদস্য সংখ্যা প্রায় আড়াই লক্ষ। লোগো ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইন থেকে শুরু করে ডাটা এন্ট্রি, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তৈরী, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সব ধরনের কাজ পাওয়া যাবে তাদের সাইটে। আপনার কাছে কোন ফি নেয়া হবে না। তবে আপনি যদি তাদের মাধ্যমে কর্মী খোজেন তাহলে ৫ ডলার দিতে হবে।

এখানে মাসে প্রায় ৫০ হাজার কাজ জমা হয়। প্রোগ্রামিং, ওয়েবসাইট ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, এনিমেশন, ফ্লাশ ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি সব ধরনের কাজ রয়েছে তাদের সাইটে। তাদের সদস্য হোন, কাজের তালিকা দেখুন, কাজের জন্য আবেদন করুন, কাজের অগ্রগতি দেখুন। পুরো কাজই হবে অনলাইনে।

আগে নাম ছিল রেন্ট-এ-কোডার, বর্তমান নাম ভার্চুয়াল ওয়ার্কার। অত্যন্ত জনপ্রিয় এই সাইটে ডিজাইন আর্ট এন্ড মাল্টিমিডিয়া, টেকনোলজি, রাইটিং এন্ড ট্রন্সলেশন, বিজনেস সার্ভিসেস, এডমিনিষ্ট্রেটিভ সাপোর্ট ইত্যাদি বিভাগে বহু কাজ রয়েছে এখানে। কাজ জমা দেয়া বা করার জন্য কোন ফি নেই।

টেকনোলজি, ক্রিয়েটিভ আর্টস এবং বিজনেস প্রধান এই ৩টি বিভাগের মধ্যে রয়েছে অনেকগুলি ভাগে বিভক্ত নানাধরনের কাজ। যেমন ক্রিয়েটিভ আর্টস এর মধ্যে রয়েছে গ্রাফিক ডিজাইন, মাল্টিমিডিয়া, ইলাষ্ট্রেশন, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি, ফ্যাসন, ইন্টেরিয়র ডিজাইন ইত্যাদি। তাদের কাছে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করে উত্তর এবং পরামর্শ পেতে পারেন।
এখানে কাজের জন্য তাদের সদস্য হবেন, প্রোফাইল তৈরী করবেন, যে কাজ করতে চান সেজন্য আবেদন করবেন, কাজশেষে জমা দেবেন এবং পেমেন্ট রিসিভ করবেন।

জনপ্রিয় এই সাইটগুলি ভিজিট করে তাদের সুবিধা-অসুবিধা যাচাই করতে পারেন। এদের বাইরেও আরো অনেক সাইট এধরনের সেবা দেয়। সার্চ করে সেগুলিও দেখতে পারেন। কাজ করার জন্য একজনকে বাছাই করে সেখানে শুরু করাই ভাল। ভালভাবে সাইটের সমস্ত তথ্য পড়ে অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের পর সহজেই যাচাই করা সম্ভব কোথায় সহজে কাজ পাওয়া যায়, পেমেন্ট বেশি পাওয়া যায়, অর্থ লেনদেন সহজ এবং নিশ্চিত ইত্যাদি। তখন প্রয়োজনে একজনের বদলে আরেকজন, কিংবা একাধিক যায়গায় কাজ করা সম্ভব।

ইন্টারনেট থেকে আয় : অন্যের তৈরী সাইট থেকে উপার্জন

ওয়েবসাইট থেকে আয় আসে নানাভাবে। সরাসরি সেখানে কেউ বিজ্ঞাপন দিতে পারেন যা থেকে আপনি অর্থ পাবেন। অথবা এডসেন্স, পে-পার-ক্লিক থেকে শুরু করে যত ধরনের পদ্ধতি রয়েছে সবকিছু থেকেই আয় করা যায়। সেজন্য প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর পরিমান ভিজিটর রয়েছে। ভিজিটর যত বেশি আয় তত বেশি।  আর এধরনের সাইট তৈরী করতে প্রয়োজন সময়, মেধা, শ্রম।
নিজে ওয়েবসাইট তৈরী করতে যে সময়, শ্রম প্রয়োজন সেটা না করে অন্য কেউ সময় এবং শ্রম ব্যয়ে যাকিছু করেছে সেখান থেকে আয় করতে চান ? সেটাও সম্ভব।
বিষয়টি খুব সহজ। অন্য কেউ এমন সাইট তৈরী করার পর যদি সেটা বিক্রি করতে চায় সেটা কিনে ফেলুন। অর্থাত আপনি অর্থের বিনিময়ে অন্যের শ্রম এবং সময় কিনছেন। বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে করার কিছুই নেই, কার শ্রম এবং সময়কে অর্থে হিসেব করা যায়।
Adsense sites লিখে সার্চ করুন। ই-বে এজন্য খুব ভাল যায়গা। এমন সাইট পেতে পারেন যেখানে যথেস্ট ভিজিটর রয়েছে এবং সেখানে রীতিমত এডসেন্স থেকে আয় হচ্ছে। সাইট যত উন্নত তার দাম তত বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক।
অন্যের সাইট কিনলে আপনি যে সুবিধেগুলি পাবেন তা হচ্ছে, সাইট ডিজাইন তৈরীর জন্য ভাবতে হচ্ছে না। সেইসাথে সেখানে যাকিছু আপলোড করা হয়েছে সেগুলির মালিকানা হাতে পাওয়া।
আবার বিপরীত চিন্তাও করতে পারেন। আপনি যে সাইট তৈরী করেছেন, যেখানে হয়ত দুবছর পর সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই সাইট বিক্রি করে একবারে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

এডসেন্স ব্যবহারের নিয়ম-কানুন

গুগল এডসেন্স নিয়ে অন্যান্য লেখাগুলি থেকে নিশ্চয়ই ধারনা পেয়েছেন এটা থেকে কি করা সম্ভব, কিভাবে ভাল ফল পাওয়া যায়। এবারে বাস্তবে কিভাবে কাজটি করবেন জেনে নিন।
যে কোন ওয়েবসাইটের জন্যই এডসেন্স ব্যবহার করা যায়। এডসেন্স রেজিশ্ট্রেশনের জন্য তাদের ওয়েবসাইটে www.google.com/adsense যান নিজের নাম-ঠিকানা-সাইটের পরিচিতি দিন। গুগলের সাধারন নিয়ম হচ্ছে আপনি কেবলমাত্র নিজের চালু সাইট ব্যবহার করবেন। নিজস্ব সাইট না থাকলে এডসেন্স রেজিষ্টার করার সুযোগ পাবেন না। ব্যক্তিগত অথবা প্রতিস্ঠান হিসেবে দুধরনের একাউন্ট তৈরীর ব্যবস্থা রয়েছে।
তাদের নিয়মের বাইরে কিছু ঘটলে তারা আপনাকে এডসেন্স ব্যবহারের সুযোগ নাও দিতে পারে। যদি কারন না জানা থাকে তাহলে তাদের সাথে যোগাযোগ করে কারন জানতে পারেন।
যে বিষয়গুলি তারা সমর্থন করে না তার সংক্ষেপে এধরনের;
.          পর্নোগ্রাফি বা প্রাপ্তবয়স্কদের সাইট ব্যবহার করা যাবে না।
.          অাক্রমনাত্মক, সহিংসতা ইত্যাদির প্রচার করা যাবে না।
.          কপিরাইট আইন ভংগ করে এমনকিছু রাখা যাবে না।
.          ক্লিক করার জন্য ভিজিটরকে অনুরোধ করা যাবে না।
.          মাদক, মদ, সিগারেট এধরনের কোনকিছুর প্রচারনা, বিক্রি করা যাবে না।
.          ভিজিটরদের বিরক্তি তৈরী করে এমন বক্তব্য প্রকাশ করা যাবে না।

নিজের নামে একাউন্ট তৈরীর পর এডসেন্স সন্ক্রান্ত যেকোন কাজের জন্য এই সাইট ব্যবহার করতে হবে। এডসেন্স লগ-ইন পেজে ইমেইল এড্রেস এবং পাশওয়ার্ড প্রয়োজন হবে। লগ-ইন করার পর আপনার একাউন্টের তথ্য থেকে শুরু করে এড সেটিং এর বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন।
যে কোন সময় কোন তথ্য জানা প্রয়োজন হলে হেল্প লিংকে ক্লিক করতে পারেন। নতুন ব্যবহারকারীকে একবারেই সবকিছু শিখে নিতে হবে এমন কথা নেই।
পছন্দমত এড লেআউট বাছাই
এডসেন্স এর জন্য নির্দিষ্ট কিছু মাপ রয়েছে। ব্যানার, মিডিয়াম রেকট্যাঙ্গল, স্কাইস্ক্রাপার ইত্যাদি মাপের এডগুলি টেক্সটলিংক, ইমেজ কিংবা ভিডিও হতে পারে। ভিডিও লিংকের ক্ষেত্রে ভিডিওগুলি আপনার সাইটে জমা হবে না, ভিজিটর সেখানে ক্লিক করলে গুগলের সার্ভার থেকে প্লে হবে।
সাধারনভাবে টেক্সট এর ব্যবহার সবথেকে বেশি। এক ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করলে বেশি ক্লিক পাওয়া যায় তা পরীক্ষা করতে পারেন এবং যেকোন সময় পরিবর্তন করতে পারেন। এড সেটিং ঠিক করার পর তার প্রিভিউ দেখার ব্যবস্থা রয়েছে।
বিজ্ঞাপনের জন্য পছন্দমত টেক্সট, রং ইত্যাদি পরিবর্তনের ব্যবস্থা রয়েছে। আপনার সাইটের সাথে মিল রেখে মানানসই রং ঠিক করুন।
সাইটে কোড যোগ করা
পছন্দমত পরিবর্তন করার পর Save and get code বাটনে ক্লিক করলে কয়েকলাইন কোড পাওয়া যাবে। এই এইচটিএমএল কোড কপি করে আপনার সাইটে ব্যবহার করতে হবে।
এড পারফরমেন্স পেজ
আপনার এডসেন্স বিজ্ঞাপনে কি পরিমান ক্লিক বা আয় হয়েছে জানার জন্য এই পেজ ব্যবহার করবেন। আপনি দিন-সপ্তাহ-মাস ইত্যাদি সময় হিসেবে রিপোর্ট পেতে পারেন। আপনার আয় কত, কোন সুত্রে সব তথ্যই জানা যাবে এখান থেকে।

টাকা পাওয়ার নিয়ম
আপনার একাউন্টে ১০০ ডলার জমা হওয়ার পর গুগল আপনার নামে চেক লিখবে। শুরুতে ১০০ ডলার জমা হতে কয়েকমাস সময় লাগতে পারে। কাজেই কাজ শুরুর সাথেসাথেই আপনি টাকা পাবেন না। নিয়মিত টাকা জমা হতে থাকলে প্রতিমাসে আপনার নামে চেক পাঠানো হবে। সাধারন ডাক কিংবা কুরিয়ার মাধ্যমে চেক গ্রহন করতে পারেন। এছাড়া ইলেকট্রনিক মাধ্যমেও অর্থগ্রহন করা যায়।
আপনার একাউন্ট সেটিং পেজে লগ-ইন, প্রাপকের নাম-ঠিকানা, প্রাপ্তির মাধ্যম ইত্যাদি বিষয়ে পরিবর্তন করা যাবে।

ক্লিক সম্পর্কে সাবধানতা
লিংকে ক্লিক করলে টাকা আয় হবে একথা ভেবে যদি আপনি নিজেই সেই লিংকে ক্লিক করতে থাকেন তাহলে আপনার এডসেন্স রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করা হবে। গুগলের ফলস-ক্লিক যাচাই করার ব্যবস্থা রয়েছে। নিজে কিংবা পরিচিতদের দিয়ে ক্লিক করাতে চেষ্টা করবেন না।

অনেকে বছরে লক্ষ ডলার আয়ের কথা বলেন। যদি সাইটে বিপুল পরিমান ভিজিটর যায়, বিপুল পরিমান ক্লিক হয় তাহলে সেটা সম্ভব। বাস্তবে ওধরনের সংখ্যার ওপর নির্ভর না করাই ভাল। এই পদ্ধতিতে যা আয় করা যায় সেটা যথেষ্ট, এটা মনে করাই নিরাপদ।

এফিলিয়েট মার্কেটিং : ইন্টারনেট থেকে আয় করার পদ্ধতি

এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট ব্যবহার করে অন্য কোম্পানীর ওয়েবসাইটের প্রচার করা এবং বিনিময়ে কমিশন পাওয়া। এই কমিশনের পদ্ধতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। সবচেয়ে সাধারন পদ্ধতি হচ্ছে আপনার ওয়েব সাইট থেকে বিজ্ঞাপন দেখে যদি কেউ সেই পন্য কেনে তাহলে। যেমন ধরুন আপনার সাইটে বইয়ের তথ্যের সাথে আমাজনের লিংক রয়েছে। যদি কোন ভিজিটর সেই লিংকে ক্লিক করে আমাজনে যায় এবং সেই পণ্য কেনে তাহলে আপনি বিক্রির ওপর কমিশন পাবেন। আপনি নিশ্চয়ই জানেন আমাজন বিক্রি করে না এমন কোন পন্য নেই।
undefined
বিক্রি হওয়া ছাড়াও অন্য ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন রাখলে সেই লিংকের ওপর ভিজিটর ক্লিক করলে সেকারনেও অর্থ পেতে পারেন। তাদের কাছে এর অর্থ, আপনি তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠাচ্ছেন। তাদের ব্যবসায় সহযোগিতা করছেন।
ইন্টারনেটে ব্যবসা করে এমন অধিকাংশ বড় কোম্পানী বিক্রি বাড়ানোর জন্য এফিলিয়েটেড মার্কেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করে। যদিও তারা এবিষয়ে সরাসরি প্রচার করে না। সাধারনভাবে তাদের ওয়েবসাইটের নিচের দিকে এবিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। সেখানে Affiliate Program, Affiliates অথবা এধরনের কিছু লেখা থাকে। সেখানে ক্লিক করে এফিলিয়েট রেজিষ্ট্রেশন পেজ পাওয়া যাবে। যেমন উদাহরনের ছবিতে বিশ্বখ্যাত খুচরা বিক্রেতা bestbuy.com এর সাইটের নিচের অংশ দেখুন।
রেজিষ্টেশন পেজে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার, সাইটের তথ্য ইত্যাদি দেবেন। এগুলি দেয়ার পর তাদের অনুমোদনের জন্য কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। প্রায় সব কোম্পানীর এফিলিয়েট প্রোগ্রামের পদ্ধতি মোটামুটি একই।
একটি একটি করে কোম্পানীর এফিলিয়েট প্রোগ্রামে অংশ না নিয়ে এফিলিয়েট নেওয়ার্কেও অংশ নেয়া যায়। এজন্য আপনাকে সেই নেটওয়ার্কের সদস্য হতে হয়, একইভাবে তথ্য দিতে হয়। অনুমোদন হয়ে গেলে আপনি বিভিন্ন কোম্পানীর এফিলিয়েশনের জন্য চেষ্টা করতে পারেন। Commission Junction এধরনের একটি জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক।
ইন্টারনেটে আয় করার অন্যান্য পদ্ধতির সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং যোগ করে আয় বাড়াতে পারেন।

ইন্টারনেটে ঘরে বসে আয় : পেইড টু ক্লিক PTC

যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজে আয় করতে চান তাদের কাছে পিটিসি অত্যন্ত আকর্ষনীয় বিষয়। অন্তত তাত্বিকভাবে কাজটি খুব সহজ। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ওপেন করবেন, নির্দিস্ট লিংকে ক্লিক করবেন। আপনার একাউন্টে টাকা জমা হতে থাকবে। আয়ের এরচেয়ে সহজ পথ হয়না।
বাস্তবে এই পদ্ধতির পেছনে অন্য অনেকগুলি বিষয় জড়িত। যদি একাজে হাত দিতেই চান তাহলে সেটা জেনে নেয়াই ভাল।
প্রথম কথা, ক্লিক করলে আপনাকে টাকা দেবে কেন ? কে দেবে ?
বর্তমান বিশ্ব চলে বিজ্ঞাপনের জোরে। আর ইন্টারনেট বিজ্ঞাপনের বিশাল যায়গা। এরই মধ্যে ছাপানো বিজ্ঞাপনকে ছাড়িয়ে গেছে ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন। সব ধরনের কেনাকাটা করা যায় ইন্টারনেট ব্যবহার করেই, কাজেই সেই বিবেচনায় ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন সুবিধেজনক।
এখানেও রয়েছে প্রতিযোগিতা। আপনি কোন একটি বিষয়ে বিজ্ঞাপন দিলেন গুগলের মাধ্যমে, আরেকজনও দিল একই বিষয়ের বিজ্ঞাপন। গুগলের সার্চলিষ্টে কোনটি প্রাধান্য পাবে ?
গুগলের ফর্মুলা অনুযায়ী যে সাইট মানুষ বেশি ব্যবহার করে সেই সাইট। আর এখানেই ক্লিক করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
কোন বিশেষ সাইটে যদি ভিজিটর বেশি যায় তাহলে তারা স্বাভাবিকভাবেই প্রাধান্য পাবে। আর যার ভাগ্যে সেটা ঘটে না সে ভাড়া করা মানুষ দিয়ে তার লিংকে ক্লিক করিয়ে নিতে পারে। আপনি যখন পিটিসি লিংকে ক্লিক করবেন তখন আপনি সেই ভাড়াকরা ক্লিককারী। প্রতি ক্লিকের জন্য পেতে পারেন কয়েক সেন্ট থেকে কয়েক ডলার পর্যন্ত। যত বেশি ক্লিক তত বেশি টাকা।
এজন্য আপনাকে যা করতে হয় তা হচ্ছে, পিটিসি সেবা দেয় এমন কোন সাইটে গিয়ে তাদের ফরম পুরন করে সদস্য হওয়া। সদস্য হলে আপনি একটি একাউন্ট নাম এবং পাশওয়ার্ড পাবেন।
কাজ করার জন্য নিজের একাউন্টে ঢুকতে হবে। বিভিন্ন সাইটের কাজ করার পদ্ধতিতে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে তবে মুল পদ্ধতি মোটামুটি একইরকম। আপনি সেখানে এড দেখতে পাবেন যেখানে। এগুলিতেই আপনাকে ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার জন্য কয়েক সেকেন্ড সময় পাবেন (ধরুন ৩০ সেকেন্ড)। ক্লিক করার পর কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে, ক্লিক কনফার্ম মেসেজ না পাওয়া পর্যন্ত।
কতগুলি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন সেটা নির্দিস্ট করা থাকবে এবং নির্ভর করবে তাদের ওপর। হয়ত একদিনে ২০টি ক্লিক করার সুযোগ পেলেন, আরেকদিন আদৌ পেলেন না। ক্লিক করার কোটা শেষ হলে আপনার হিসেব জেনে নিতে পারেন সেখান থেকেই।
আপনি টাকা কিভাবে পাবেন সেটা আপনাকেই ঠিক করে দিতে হবে। পে-পল এর মত কোন সার্ভিসের একাউন্ট করে সেটা ব্যবহার করতে পারেন। এবিষয়ে অন্যযায়গায় লেখা হয়েছে।
মোটামুটি এটাই নিয়ম। এবারে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন প্রশ্ন, এধরনের সাইটের ঠিকানা কি ?
সাইট আপনাকেই খুজে নিতে হবে গুগল সার্চ করে। কারন অনেকগুলি। অনেক সময়ই এধরনের সাইট কিছুদিন পর উধাও হয়ে যায়, সার্ভিস বন্ধ করে দেয় (তারাও অন্যের ওপর নির্ভরশীল), এমনকি আপনার নামে টাকা জমা হওয়ার পর সেটা না পাওয়ার ঘটনা ঘটার অভিযোগও রয়েছে।
একথা ঠিক, এই পদ্ধতিতে অনেকে আয় করেছেন, করছেন। যদি এপথে আয় করতেই চান তাহলে নির্দিষ্ট সাইট খুজে বের করার মত সামান্য কাজটুকু করবেন না কেন ? সুবিধেমত একটি সাইট পেলে যখন দিনে কয়েক মিনিট সময় ব্যয় করে বাংলাদেশি টাকায় হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়।
এই মুহুর্তেই আয় শুরু করতে পারেন নির্ভরযোগ্য সাইট clixsense থেকে।

ইন্টারনেটে ঘরে বসে আয় : পেইড টু ক্লিক PTC

যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজে আয় করতে চান তাদের কাছে পিটিসি অত্যন্ত আকর্ষনীয় বিষয়। অন্তত তাত্বিকভাবে কাজটি খুব সহজ। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ওপেন করবেন, নির্দিস্ট লিংকে ক্লিক করবেন। আপনার একাউন্টে টাকা জমা হতে থাকবে। আয়ের এরচেয়ে সহজ পথ হয়না।
বাস্তবে এই পদ্ধতির পেছনে অন্য অনেকগুলি বিষয় জড়িত। যদি একাজে হাত দিতেই চান তাহলে সেটা জেনে নেয়াই ভাল।
প্রথম কথা, ক্লিক করলে আপনাকে টাকা দেবে কেন ? কে দেবে ?
বর্তমান বিশ্ব চলে বিজ্ঞাপনের জোরে। আর ইন্টারনেট বিজ্ঞাপনের বিশাল যায়গা। এরই মধ্যে ছাপানো বিজ্ঞাপনকে ছাড়িয়ে গেছে ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন। সব ধরনের কেনাকাটা করা যায় ইন্টারনেট ব্যবহার করেই, কাজেই সেই বিবেচনায় ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন সুবিধেজনক।
এখানেও রয়েছে প্রতিযোগিতা। আপনি কোন একটি বিষয়ে বিজ্ঞাপন দিলেন গুগলের মাধ্যমে, আরেকজনও দিল একই বিষয়ের বিজ্ঞাপন। গুগলের সার্চলিষ্টে কোনটি প্রাধান্য পাবে ?
গুগলের ফর্মুলা অনুযায়ী যে সাইট মানুষ বেশি ব্যবহার করে সেই সাইট। আর এখানেই ক্লিক করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
কোন বিশেষ সাইটে যদি ভিজিটর বেশি যায় তাহলে তারা স্বাভাবিকভাবেই প্রাধান্য পাবে। আর যার ভাগ্যে সেটা ঘটে না সে ভাড়া করা মানুষ দিয়ে তার লিংকে ক্লিক করিয়ে নিতে পারে। আপনি যখন পিটিসি লিংকে ক্লিক করবেন তখন আপনি সেই ভাড়াকরা ক্লিককারী। প্রতি ক্লিকের জন্য পেতে পারেন কয়েক সেন্ট থেকে কয়েক ডলার পর্যন্ত। যত বেশি ক্লিক তত বেশি টাকা।
এজন্য আপনাকে যা করতে হয় তা হচ্ছে, পিটিসি সেবা দেয় এমন কোন সাইটে গিয়ে তাদের ফরম পুরন করে সদস্য হওয়া। সদস্য হলে আপনি একটি একাউন্ট নাম এবং পাশওয়ার্ড পাবেন।
কাজ করার জন্য নিজের একাউন্টে ঢুকতে হবে। বিভিন্ন সাইটের কাজ করার পদ্ধতিতে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে তবে মুল পদ্ধতি মোটামুটি একইরকম। আপনি সেখানে এড দেখতে পাবেন যেখানে। এগুলিতেই আপনাকে ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার জন্য কয়েক সেকেন্ড সময় পাবেন (ধরুন ৩০ সেকেন্ড)। ক্লিক করার পর কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে, ক্লিক কনফার্ম মেসেজ না পাওয়া পর্যন্ত।
কতগুলি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন সেটা নির্দিস্ট করা থাকবে এবং নির্ভর করবে তাদের ওপর। হয়ত একদিনে ২০টি ক্লিক করার সুযোগ পেলেন, আরেকদিন আদৌ পেলেন না। ক্লিক করার কোটা শেষ হলে আপনার হিসেব জেনে নিতে পারেন সেখান থেকেই।
আপনি টাকা কিভাবে পাবেন সেটা আপনাকেই ঠিক করে দিতে হবে। পে-পল এর মত কোন সার্ভিসের একাউন্ট করে সেটা ব্যবহার করতে পারেন। এবিষয়ে অন্যযায়গায় লেখা হয়েছে।
মোটামুটি এটাই নিয়ম। এবারে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন প্রশ্ন, এধরনের সাইটের ঠিকানা কি ?
সাইট আপনাকেই খুজে নিতে হবে গুগল সার্চ করে। কারন অনেকগুলি। অনেক সময়ই এধরনের সাইট কিছুদিন পর উধাও হয়ে যায়, সার্ভিস বন্ধ করে দেয় (তারাও অন্যের ওপর নির্ভরশীল), এমনকি আপনার নামে টাকা জমা হওয়ার পর সেটা না পাওয়ার ঘটনা ঘটার অভিযোগও রয়েছে।
একথা ঠিক, এই পদ্ধতিতে অনেকে আয় করেছেন, করছেন। যদি এপথে আয় করতেই চান তাহলে নির্দিষ্ট সাইট খুজে বের করার মত সামান্য কাজটুকু করবেন না কেন ? সুবিধেমত একটি সাইট পেলে যখন দিনে কয়েক মিনিট সময় ব্যয় করে বাংলাদেশি টাকায় হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়।
এই মুহুর্তেই আয় শুরু করতে পারেন নির্ভরযোগ্য সাইট clixsense থেকে।

ইন্টারনেট থেকে আয় : গুগল এডসেন্স এর অজানা তথ্য - ৩

গুগলের বিনামুল্যের ব্লগ ব্যবস্থা ব্লগার (www.blogger.com) ব্যবহার করে নিজস্ব সাইট তৈরী করা খুব সহজ। ব্লগার ব্যবহারের জন্য আপনাকে বিশেষ কিছু জানা প্রয়োজন হয় না, সহজেই এডসেন্স যোগ করা যায়। অন্যদিকে ওয়েবসাইট তৈরী জন্য রয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস (wordpress) সহ নানাধরনের সফটঅয়্যার। এগুলির সাথে এডসেন্স ব্যবহারের জন্য নিজস্ব ডোমেন রেজিষ্ট্রেশন করতে হয়, সার্ভার ভাড়া করতে হয়। প্রশ্ন করা স্বাভাবিক কোনটি পছন্দ করবেন।
নিজস্ব ডোমেন এবং হোষ্টিং এর খরচ যেমন রয়েছে তেমনি সুবিধে অনেক বেশি। এই সফটঅয়্যারগুলি ব্যবহার করে এমন অনেক কাজ করা যায় যা ব্লগারে করা যাবে না। যেমন আপনি যদি আপনার সাইটে একটি মেসেজ বোর্ড যোগ করতে চান, সেটা ব্লগারে করা যাবে না।
তারচেয়েও বড় কথা, ব্লগার বিনামুল্যের। তারা সবসময় আপনাকে সেবা দিয়েই যাবে এমন কথা নেই। যে কোন সময় আপনার সাইট মুছে দিতে পারে তারা। যেহেতু তাদের কোন দায়বদ্ধতা নেই সেহেতু আপনার বলার কিছু নেই।
কাজেই, এডসেন্স ব্যবহার করে (বা অন্য কোনভাবে) ওয়েব সাইট থেকে আয় করতে চাইলে তাকে ব্যবসা হিসেবে দেখুন এবং নিজস্ব ডোমেন-হোষ্টিং ব্যবহার করুন।
অবশ্যই আপনি ব্লগার দিয়ে শুরু করতে পারেন অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের জন্য। পরে তাকে অন্য যায়গায় সরাতে পারেন।
হোষ্টিং সার্ভিস পছন্দের বিষয়টিও ঝুকিপুর্ন মনে হতে পারে। অনেক ছোট হোষ্টিং সার্ভিস নিজেদের ব্যবসা গুটিয়ে সরে গেছে এমন উদাহরন রয়েছে। কাজেই প্রতিস্ঠিত হোষ্টিং সার্ভিস এর জন্য যোগাযোগ করাই ভাল। সার্ভার কোন দেশে সেটা যেহেতু কোন বিষয় না সেহেতু বিশ্বের  যে কোন যায়গার সার্ভার ব্যবহার করতে পারেন। বিশ্বের সেরা হোষ্টগুলির তথ্য পেতে পারেন ইন্টারনেটে সার্চ করেই।

ওয়েব সাইট কিভাবে তৈরী করবেন
আপনি মনে করতে পারেন কোনওয়েবসাইট ডিজাইনার দিয়ে আপনার সাইট তৈরী করিয়ে নেবেন, এরপর আপনি সেটা ব্যবহার করবেন। যদি আপনার সাইটে এমন কিছু ব্যবহার করেন যা করতে দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা প্রয়োজন তাহলে সেটা করতে পারেন। তারপরও, সেটা ব্যবহারের সময় আপডেট করতে হবে আপনার নিজেকেই। সেইসাথে সবকিছু দেখাশোনার দায়িত্বও আপনার। কাজেই আপনাকে কিছু শিখতেই হবে।
ওয়ার্ডপ্রেস (Wordpress) কিংবা জুমলা (Joomla)  জাতিয় সিএমএস সফটঅয়্যার ব্যবহার খুব সহজ যদি তৈরী টেম্পলেট ব্যবহার করেন। কিছুটা এইচটিএমএল/সিএসএস (HTML/CSS) শিখেই আপনি টেম্পলেটের পরিবর্তন করে নিজের উপযোগি করে নিতে পারেন।
যদি একেবারে নিজের মত করে তৈরী করে নিতে হয় তাহলে আপনাকে কোন সফটঅয়্যারের ব্যবহার শিখতে হবে। এজন্য CoffeeCup কিংবা Dreamweaver তুলনামুলক সহজ এবং উপযোগি সফটঅয়্যার। Site Build it! নামের সফটঅয়্যারটিও দেখতে পারেন। এগুলি ছাড়াও সহজে ওয়েবসাইট তৈরী অসংখ্য সফটঅয়্যার রয়েছে।

এডসেন্স থেকে আয়
তাহলে! আপনি এডসেন্স থেকে আয় করার জন্য সুবিধেজনক বিষয় ঠিক করেছেন, ওয়েবসাইট তৈরী করেছেন, ডোমেন রেজিষ্ট্রেশন করেছেন, তাকে সাভারে আপলোড করেছেন। এখন আয় করার জন্য আপনাকে গুগলের এডসেন্স রেজিষ্ট্রেশন করতে হবে।
এজন্য http://adsense.google.com সাইটে যান এবং তাদের ফরম পুরন করুন।

আগামী (শেষ) পর্বে এডসেন্স বিজ্ঞাপনের ধরন এবং তাদের সুবিধে-অসুবিধে সম্পর্কে লেখা হবে।

ইন্টারনেট থেকে আয় : গুগল এডসেন্স এর অজানা তথ্য - ২


আপনি আয় করতে চান গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে, আপনার কিছু সত্য জানা প্রয়োজন। একেবারে প্রথম কথা, একে অর্থ উপার্জনের সহজ পদ্ধতি ভাববেন না। অনেকে প্রচারনা থেকে ধরে নেন ব্লগারে একটা একাউন্ট খুললেই টাকা আসতে শুরু করবে। এটা ভুল ধারনা।
অন্যে এই পথে কত আয় করেছে সে উদাহরন দেখাবেন না। তারা আয় করেছে এটা হয়ত দেখেছেন, এর পেছনের শ্রম দেখেননি।
অমুকে অত টাকা আয় করেছে এই তথ্য দেখে সহজেই মানুষ বিভ্রান্ত হয়। কেউ মানে ৫ হাজার ডলার আয় করছে, বিষয়টি এভাবে দেখুন, সেই ব্যক্তি এমন বিষয় নিয়ে ওঢেব সাইট তৈরী করেছে যে বিষয়ে সে প্রচুর জানে। সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সেখানে রয়েছে যা অন্যদের প্রয়োজন। সরাসরি ভিজিটর সেখানে যাচ্ছে, অন্যান্য সাইটগুলি ভালমানের সাইটের কারনে সেখানে লিংক তৈরী করছে ফলে ভিজিটর আরো বাড়ছে, সেকারনে এডসেন্স থেকে আয় ক্রমাগত বাড়ছে।
আপনার আয় নির্ভর করবে কয়েকটি বিষয়ের ওপর।
.          আপনি ইন্টারনেট মার্কেটিং বিষয়টি কতটা ভাল বোঝেন।
.          আপনার সাইটে কি পরিমান ভিজিটর আসে।
.          প্রতি ক্লিকে আপনি কত করে পান।
.          দিনে কত ঘন্টা সময় ব্যয় করছেন। আপনি বছরে লক্ষ ডলার আয় করবেন আর এজন্য দিনে একঘন্টা বরাদ্দ রাখবেন এটা বাস্তবসম্মত না।

কাজেই এডসেন্স থেকে দ্রুত টাকা আয় হবে এমন ধারনা থেকে শতর্ক থাকুন। বরং আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে,
.          এখনই শুরু করুন। কয়েকমাস কিংবা বছর পর সাফল্য পেতে শুরু করবেন।
.          শুরুতে এডসেন্স থেকে উপার্জন সামান্য মনে হতেই পারে। কিন্তু ভুল থেকেই শিক্ষা লাভ করতে হয়। প্রতিদিনের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে প্রতিদিন উন্নতির চেষ্টা করুন। আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটরের সংখ্যা, তাদের ধরন, উতস, তাদের ব্যবহার করা কি-ওয়ার্ড ইত্যাদি বিশ্লেষন করে আপনার সাইটে পরিবর্তন আনুন।
.          কি পরিমান সময় ব্যয় করা হচ্ছে এবং কি পরিমান অর্থ পাওয়া যাচ্ছে এই দুইয়ের হিসেব শুরুতেই মেলাবেন না। বর্তমানের সমস্ত কাজই ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ মনে করে কাজ করে গেলে সাফল্য পাওয়া সম্ভব। ভুলে যাবেন না বাস্তবে অন্যান্য ব্যবসার ক্ষেত্রে সবাই লাভের আশা করে শুরু করে, সবাই লাভ করে না।

আপনার সাইটের বিষয় কি এটা গুরুত্বপুর্ন ভুমিকা রাখে ভিজিটর আসার ক্ষেত্রে। যেমন এই মুহুর্তে আপনি মনে করতে পারেন অনলাইনে অর্থ উপার্জন, ইন্টারনেট থেকে সহজে আয় করার পদ্ধতি, এডসেন্স থেকে আয় করার পদ্ধতি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে লিখলে আপনার সাইটে বেশি ভিজিটর পাওয়া যাবে।
কথাটা কিছুটা ঠিক। এই কি-ওয়ার্ড লিখে একবার গুগল সার্চ করে দেখুন তো। ফল হিসেবে পাওয়া যাবে বহুকোটি সাইটের নাম। এদের সকলের সাথে আপনাকে প্রতিদ্বন্দিতা করতে হবে। এদের সবাইকে পেছনে ফেলে সার্চ রেজাল্টে প্রথম ১০ জনের মধ্যে আসা সত্যিকারের কঠিন কাজ।
এমন বিষয় বেছে নিন যে বিষয়ে আপনি ভাল জানেন, সেইসাথে লক্ষ্য রাখুন অন্যরা সেই সাইট থেকে উপকৃত হয়।

এই বিষয়ে অন্যান্য সাইটগুলি দেখুন। সেখানে যাকিছু ভাল সেটা অনুকরন করুন। সেই বিষয়কে ভালবাসুন।। আপনার সাইটে তার প্রতিফলন ঘটান। সেইসাথে বক্তব্যকে জোরালো করুন।
মোটকথা, গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে বেশি পরিমান আয় করতে চাইলে আপনার ওয়েবসাইটে এমন বিষয় রাখার ব্যবস্থা করুন যে বিষয়গুলি আপনি সবচেয়ে ভাল জানেন।

ইন্টারনেট থেকে আয় : গুগল এডসেন্স এর অজানা তথ্য - ১


undefined
গুগল এডসেন্স ব্যবহার করে বছরে ১ লক্ষ ডলারের বেশি আয় করেছে অমুক ব্যক্তি, এধরনের কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন। মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার ডলার আয় করার ব্যক্তির উদাহরন খুব কম নেই। এই কথাগুলি এমন ধারনা তৈরী করে যাথেকে অনেকেই মনে করেন, একটি ওয়েবসাইট কিংবা ব্লগ তৈরী করে সেখানে এডসেন্স যোগ করলেই হাজার হাজার ডলার আসতে শুরু করে।
এভাবে পর্যাপ্ত পরিমান অর্থ আয় করা যায় একথা যেমন ঠিক তেমনি এখানে কিছু ভূল ব্যাখ্যার সুযোগ রয়েছে এটাও ঠিক। আপনি যদি সত্যিকার অর্থেই এডসেন্স ব্যবহার করে আয় করতে চান তাহলে আপনার সেগুলি জানা প্রয়োজন।
প্রথমেই জেনে রাখুন, কথাগুলি এভাবে বলা হয় কেন।
যদি বলা হয় আপনি দিনে ৫-৬ ঘন্টা কম্পিউটারের সামনে বসে আর্টিকেল লিখে যাবেন, মাসের পর মাস, এমন আর্টিকেল যা মানুষ আগ্রহ নিয়ে পড়বে, এজন্য আরো কয়েক ঘন্টা পড়াশোনা করবেন, আপনার সাইটে শতশত এধরনের আর্টিকেল জমা হবে, তারপর সেগুলি পড়ার জন্য হাজার হাজার মানুষ সেখানে ভীড় জমাবে, তারপর আপনি টাকা পাবেন তাহলে আপনার সেবিষয়ে খুব আগ্রহ থাকার কথা না। মানুষ বেশি পরিমান অর্থ পেতে চায় কাজ না করে। কাজেই বিষয়টি ঘুরিয়ে বলা, এডসেন্স ব্যবহার করুন, বিনা পরিশ্রমে, বিনা খরচে বহু টাকা পাবেন।
বিনা খরচে কথাটা কিছুটা ঠিক। বিনামুল্যে সাইট তৈরী উপকরন, বিনামুল্যে ওয়েব হোষ্টিং ইত্যাদি ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। এডসেন্স বিজ্ঞাপন পাওয়ার জন্যও খরচ নেই। তাদের দেয়া কয়েক লাইন কোড আপনার ওয়েবসাইটে যোগ করাই যথেষ্ট। আর অর্থ উপার্জনের জন্য আপনাকে পৃথকভাবে পরিশ্রম করতে হচ্ছে না একথাও ঠিক।
কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, পরিশ্রম আপনাকে করতে হচ্ছে ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার জন্য। আপনার সাইটে যদি দিনে কমপক্ষে ১০০ ইউনিক ভিজিটর না আসে তাহলে উল্লেখযোগ্য আয় হওয়ার সম্ভাবনা কম। তারা প্রতি ক্লিকের জন্য ১ সেন্ট বা ১০ ডলার (কখনো কখনো আরো বেশি) যা-ই দেয়ার কথা বলুক না কেন। ভিজিটর নেই কথার আরেক অর্থ আপনার কোন আয় নেই।
এডসেন্স থেকে আয় করার জন্য আপনার প্রথম শিক্ষা হতে পারে, বিনা পরিশ্রমে কিছু পাওয়া যায় না
এডসেন্স কিভাবে কাজ করে জানলে বিষয়টি পরিস্কার হবে। গুগলের এডওয়ার্ডস নামে একটি প্রকল্প রয়েছে। যারা গুগলের মাধ্যমে ইন্টারনেটে তাদের ব্যবসার প্রচার করতে চান তারা গুগলের সাথে যোগাযোগ করেন। এটাই এডওয়ার্ডস। গুগল সেই কাজ করে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে লিংক দেয়ার মাধ্যমে। এটা এডসেন্স। আপনার ওয়েবসাইটে এডসেন্স ব্যবহার করলে আপনি বিজ্ঞাপন পাবেন, সেখানে কেউ ক্লিক করলে গুগল টাকা পাবে। সেই টাকার কিছু অংশ আপনাকে দেয়া হবে আপনার সাইট ব্যবহারের কারনে।  গুগল তাদের আয় থেকে কতভাগ দেয় সেটা একমাত্র গুগল নিজে জানে।
কাজেই, যদি এডসেন্স থেকে আয় করতে চান, নিজেকে বলুন, এটা আমার ব্যবসা। ব্যবসার জন্য যতটা পরিশ্রম করা প্রয়োজন করতে রাজি আছি
ব্যবসার মত ধৈয্য ধরে এতে মনোনিবেশ করতে হবে। সুবিধেজনক বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরী করতে হবে, মাসের পর মাস চেষ্টা করে তাকে উন্নত করতে হবে। সেখানে ভিজিটর আসার ব্যবস্থা করতে হবে। যত বেশি ভিজিটর আয়ের সম্ভাবনা তত বেশি।
এডসেন্স সম্পর্কে যেভাবে বলা হয়, শুরু করলেই সাথেসাথে টাকা আসতে শুরু করবে, একথা ঠিক না।
কাজগুলি কিভাবে করা যায় সে সম্পর্কে কিছুটা ধারনা নিন।
.          মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরী করুন। গুগল আপনার সাইটের প্রতিটি টাইটেল, প্রতিটি আর্টিকেল বিশ্লেষন করে জেনে নেয় সেখানে কোন ধরনের ভিজিটর কত পরিমানে যায়। তা থেকে ঠিক করে সেখানে কোন বিজ্ঞাপন দেয়া হবে। কাজেই সাইটের বিষয়কে উন্নত করুন। সার্চ তালিকায় আপনার সাইট যত ওপরের দিকে থাকবে আপনার আয়ের সম্ভাবনা তত বেশি।
.          আপনার বিষয়ের সাথে মিল আছে এমন সাইট সম্পর্কে জানুন। আপনার সাইটের কি-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করে দেখুন কোন সাইটকে শুরুতে পাওয়া যায়। প্রয়োজনে সেই সাইট সম্পর্কে একটি রিভিউ লিখতে পারেন, তার একটি লিংক রাখতে পারেন আপনার সাইটে। ফল হিসেবে তারাও আপনার সাইটে ভিজিটর পাঠানোর ব্যবস্থা করবে।
.          বিভিন্ন সাইট এবিষয়ে নানারকম পদ্ধতি ব্যবহার করে এবং পরামর্শ দেয়।  যেমন http://www.selfpromotion.com/ এধরনের সাইট থেকে বিষয়গুলি শিখুন।
.           কিছু ওয়েবসাইট আপনার সাইট বা ব্লকে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারে। সেখানে আপনার সাইটের ঠিকানা এবং পরিচিতি লিখুন। http://www.technorati.com/ , http://www.blogrush.com/ , http://pingomatic.com/ ইত্যাদি এধরনের সাইট। এদের মাধ্যমে প্রচার বাড়ান।
.          আপনার সাইটের বিষয় নিয়ে কোন ফোরাম আছে কি-না সার্চ করে দেখুন। সেখানে নিজের লিংকসহ মন্তব্য লিখুন।
.          বিভিন্ন সামাজিক ওয়েবসাইট (ফেসবুক-টুইটার) এর মাধ্যমে ওয়েবসাইটের প্রচার বাড়ান।

মোটকথা, আপনি এডসেন্স থেকে যথেস্ট পরিমান অর্থ উপার্জন করতে পারেন যদি একে ব্যবসা হিসেবে দেখেন এবং সেভাবে কাজ করেন। একটি সার্চ ইঞ্জিনে আপনার দেয়া তথ্য ব্যবহার হতে কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। কাজেই সাথেসাথে ফল পাবেন এটাও ধরে নেবেন না।