Friday, December 20, 2013

ইন্টারনেটে আয় সম্পর্কে ১০টি ভুল ধারনা

ইন্টারনেট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন বর্তমানে অত্যন্ত আলোচিত বিষয়। বিভিন্ন সুত্র থেকে যারা এবিষয়ে খোজখবর নিচ্ছেন তারা প্রায়ই কিছু ভুল ধারনার শিকার হন।  একাজে হাত দেয়ার আগে ভুল ধারনাগুলি সম্পর্কে জেনে নিন।

.          খুব সহজে, বিনা পরিশ্রমে ইন্টারনেটে আয় করা যায়
এটা সবচেয়ে বড় ভুল ধারনা। আপনি আশা করছেন একজন চাকুরীজীবী কিংবা ব্যবসায়ীর থেকে বেশি আয় করবেন অথচ পরিশ্রম করবেন না এটা বাস্তবসম্মত হতে পারে না। ইন্টারনেটে যে পদ্ধতিতেই আয় করুন না কেন, আপনাকে যথেস্ট সময় এবং মেধা ব্যয় করতে হবে।
.          ইন্টারনেটে আয় করা সকলের পক্ষে সম্ভব না
এটা আরেকটা বড় ভুল ধারনা। ইন্টারনেটে কাজ বলতে যেমন দক্ষ প্রোগ্রামিং বুঝায় তেমনি তুলনামুলক সহজ গ্রাফিক ডিজাইন বুঝায়, কিংবা আরো সহজ ডাটা এন্ট্রি বুঝায়। যে কোন শিক্ষিত মানুষের পক্ষে মানানসই কাজ খুজে নেয়া সম্ভব। তবে একথা অবশ্যই ঠিক, দক্ষতা যত বেশি আয়ের সুযোগ তত বেশি। দক্ষতা যেহেতু বাড়ানো যায় সেহেতু সুযোগও বাড়ানো যায়।
.          পেইড-টু-ক্লি (PTC) সহজে আয়ের কার্যকর পদ্ধতি
পিটিসি হচ্ছে কোন ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক করবেন আর আপনার নামে টাকা জমা হবে। বিষয়টি সত্যি। তবে যতটা প্রচার করা হয় ততটা না। আপনি কতগুলি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন সেটা নির্দিষ্ট করে দেয়া হয়। কাজ করে টাকা না পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
.          ইন্টারনেটে আয় করতে নিজের খরচে ওয়েবসাইট তৈরী করতে হয়
একেবারে বিনামুল্যে ওয়েবসাইট তৈরী করা যায়। কাজেই ওয়েবসাইট তৈরী, ডোমেন কিংবা হোষ্টিং এর খরচ ছাড়াই সব কাজ করা সম্ভব। তবে নিজস্ব ডোমেন-হোষ্টিং সবসময়ই ভাল।
.          ক্রেডিট কার্ড বা পে-পল একাউন্ট নেই, ফলে একাজ সম্ভব নাকিছুটা সত্যি। ক্রেডিট কার্ড থাকলে কাজের সুবিধে হয়, পে-পল একাউন্ট থাকলেও সুবিধে হয়। তারপরও মানুষ কাজ করছে এগুলি ছাড়াই। অন্য যে পদ্ধতিগুলি রয়েছে সেগুলি ব্যবহার করে কাজ করা সম্ভব।
.          অনেকগুলি সাইটে অনেকগুলি এডসেন্স ব্যবহার করলে আয় বেশি
এডসেন্সে লাভ দেখে অনেকেই একাধিক এডসেন্স একাউন্ট ব্যবহারে আগ্রহি হন। এটা ভুল পথ। গুগল কোনএকসময় সেটা ধরে ফেলবে এবং সবগুলি একাউন্ট বন্ধ করে দেবে।
.          সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে দ্রুত আয় বাড়ে
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য সফটঅয়্যার ব্যবহার করলে অবশ্যই সাইটের পরিচিতি বাড়ে কিন্তু এডসেন্সকে টার্গেট করে যদি সেটা করেন তাহলে গুগল সেটা পছন্দ করে না। গুগল এমন সাইটে লাভজনক এডসেন্স বিজ্ঞাপন দেয় সেখানে ভিজিটর নিজে আগ্রহি হয়ে যায়। ফলে কোন সাইটে প্রতি ক্লিকে পাওয়া যায় কয়েক সেন্ট, কোন সাইটে কয়েক ডলার।
.          ইন্টারনেটে আয়ের জন্য কোন খরচ নেই
বিনামুল্যের সবসময়ই কিছু খারাপ দিক থাকে। ভাল হোষ্টিং, প্রয়োজনীয় সফটঅয়্যার, প্রচারের জন্য এডওয়ার্ডস বিজ্ঞাপন সবকিছুই ভাল আয়ের সহায়ক।
.          ইন্টারনেটে আয়ের ক্ষেত্রে ভৌগলিক সীমারেখা নেইঅনেক সেবার ক্ষেত্রেই অনেক দেশে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বাংলাদেশে যেমন পে-পল ব্যবহার করা যায় না, ক্লিক ব্যাংকে একাউন্ট খোলা যায় না, কোন কোন সাইটে ঢোকা যায় না ইত্যাদি। কোন সেবা কোনদেশে প্রযোজ্য আগে জেনে নেয়াই ভাল।
.           ইন্টারনেটে কিভাবে কাজ করতে হয় শেখার জন্য কোর্স করা প্রয়োজন
আপনি যখন আয় করতে চান ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তখন শেখার জন্যও ইন্টারনেট সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন যায়গা। যে বিষয়ই জানতে চান না কেন, ইন্টারনেট সার্চ করলে তথ্য পাওয়া যাবে। বিভিন্ন ওয়েবসাইটের সদস্য হোন, ফোরামে যোগ দিন, সেখানকার বক্তব্যগুলি বোঝার চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে সেখানে সমস্যার কথা জানান। কেউ না কেউ উত্তর দেবেন।

ইন্টারনেট থেকে আয় : কাজ কিভাবে পাবেন

চাকরী বা ব্যবসার বদলে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে আপনি যথেষ্ট পরিমান আয় করতে পারেন। সেটা ডাটা এন্ট্রির মত সহজ কাজই হোক আর প্রোগ্রামিং এর মত দক্ষতার কাজই হোক। অনেকে বলেন এটাই ভবিষ্যতের কাজের নিয়ম। বর্তমানে যেমন কোন কোম্পনীকে কাজ করানোর জন্য বেতন দিয়ে কর্মী নিয়োগ করতে হয়, ভবিষতে তারা একাজের জন্য ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করবেন। যে কেউ যোগাযোগ করে সেই কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এতে দুপক্ষেরই লাভ।
সাধারনভাবে আউটসোসিং নামে পরিচিত এই কাজ আপনি করবেন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে। কাজের তালিকা দেখে ঠিক করবেন আপনি কোন কাজ করতে চান, সেজন্য যোগাযোগ করবেন। তারা যদি মনে করে আপনি সেকাজ ঠিকভাবে করতে পারবেন তাহলে তারা কাজ দেবেন।
অনেকগুলি প্রতিস্ঠান ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এধরনের কাজের মধ্যস্থতা করে। আপনি যদি কাজ খোজ করেন তাহলে তাদের সাইটে গিয়ে কাজের তালিকা দেখতে পারেন। আর যারা আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে কাজ করাতে চান তারা তাদের কাজের বর্ননা তাদের সাইটে দিতে পারেন। ফল হিসেবে আপনি যখন কর্মী কথন সেখানে দেখবেন কাজের তালিকা, আর আপনি যখন কাজ করাবেন তখন আপনি দেখবেন কর্মীর তালিকা।
এধরনের কিছু সাইটের পরিচিতি তুলে ধরা হচ্ছে এখানে


আউটসোর্সিং কাজের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সাইট। মোট ৯টি ক্যাটাগরীতে অসংখ্য ধরনের কাজ পাওয়া যায় তাদের সাইটে। বিভাগ অনুযায়ী কাজ খুজে সেই কাজের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন।
তাদের সাথে কাজ করার জন্য একটি ফরম পুরন করে সদস্য হতে হবে। আপনি যে বিষয়ে কাজ করতে আগ্রহি সে বিষয়ে পরীক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারন সদস্য হিসেবে আপনি সপ্তাহে দুটি কাজের জন্য আবেদন জানাতে পারেন। পরীক্ষা দিয়ে সার্টিফায়েড সদস্য হয়ে সেই সংখ্যা বাড়াতে পারেন।
তারা পারিশ্রমিকের ১০ ভাগ নিজেরা নেয়। অবশ্য কর্মী হিসেবে আপনি সেটা জানার সুযোগ পাবেন না। ১০ভাগ বাদ দেয়ার পর যে পরিমান সেটাই আপনাকে জানানো হবে, কাজেই আপনার হিসেবে তারা আপনার কাছে কোন অর্থ নিচ্ছে না।

আরেকটি জনপ্রিয় সাইট। তাদের সদস্য সংখ্যা প্রায় আড়াই লক্ষ। লোগো ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, ওয়েবসাইট ডিজাইন থেকে শুরু করে ডাটা এন্ট্রি, পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন তৈরী, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সব ধরনের কাজ পাওয়া যাবে তাদের সাইটে। আপনার কাছে কোন ফি নেয়া হবে না। তবে আপনি যদি তাদের মাধ্যমে কর্মী খোজেন তাহলে ৫ ডলার দিতে হবে।

এখানে মাসে প্রায় ৫০ হাজার কাজ জমা হয়। প্রোগ্রামিং, ওয়েবসাইট ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন, এনিমেশন, ফ্লাশ ডিজাইন, ডাটা এন্ট্রি সব ধরনের কাজ রয়েছে তাদের সাইটে। তাদের সদস্য হোন, কাজের তালিকা দেখুন, কাজের জন্য আবেদন করুন, কাজের অগ্রগতি দেখুন। পুরো কাজই হবে অনলাইনে।

আগে নাম ছিল রেন্ট-এ-কোডার, বর্তমান নাম ভার্চুয়াল ওয়ার্কার। অত্যন্ত জনপ্রিয় এই সাইটে ডিজাইন আর্ট এন্ড মাল্টিমিডিয়া, টেকনোলজি, রাইটিং এন্ড ট্রন্সলেশন, বিজনেস সার্ভিসেস, এডমিনিষ্ট্রেটিভ সাপোর্ট ইত্যাদি বিভাগে বহু কাজ রয়েছে এখানে। কাজ জমা দেয়া বা করার জন্য কোন ফি নেই।

টেকনোলজি, ক্রিয়েটিভ আর্টস এবং বিজনেস প্রধান এই ৩টি বিভাগের মধ্যে রয়েছে অনেকগুলি ভাগে বিভক্ত নানাধরনের কাজ। যেমন ক্রিয়েটিভ আর্টস এর মধ্যে রয়েছে গ্রাফিক ডিজাইন, মাল্টিমিডিয়া, ইলাষ্ট্রেশন, ফটোগ্রাফি, ভিডিওগ্রাফি, ফ্যাসন, ইন্টেরিয়র ডিজাইন ইত্যাদি। তাদের কাছে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করে উত্তর এবং পরামর্শ পেতে পারেন।
এখানে কাজের জন্য তাদের সদস্য হবেন, প্রোফাইল তৈরী করবেন, যে কাজ করতে চান সেজন্য আবেদন করবেন, কাজশেষে জমা দেবেন এবং পেমেন্ট রিসিভ করবেন।

জনপ্রিয় এই সাইটগুলি ভিজিট করে তাদের সুবিধা-অসুবিধা যাচাই করতে পারেন। এদের বাইরেও আরো অনেক সাইট এধরনের সেবা দেয়। সার্চ করে সেগুলিও দেখতে পারেন। কাজ করার জন্য একজনকে বাছাই করে সেখানে শুরু করাই ভাল। ভালভাবে সাইটের সমস্ত তথ্য পড়ে অভিজ্ঞতা সঞ্চয়ের পর সহজেই যাচাই করা সম্ভব কোথায় সহজে কাজ পাওয়া যায়, পেমেন্ট বেশি পাওয়া যায়, অর্থ লেনদেন সহজ এবং নিশ্চিত ইত্যাদি। তখন প্রয়োজনে একজনের বদলে আরেকজন, কিংবা একাধিক যায়গায় কাজ করা সম্ভব।

ইন্টারনেট থেকে আয় : অন্যের তৈরী সাইট থেকে উপার্জন

ওয়েবসাইট থেকে আয় আসে নানাভাবে। সরাসরি সেখানে কেউ বিজ্ঞাপন দিতে পারেন যা থেকে আপনি অর্থ পাবেন। অথবা এডসেন্স, পে-পার-ক্লিক থেকে শুরু করে যত ধরনের পদ্ধতি রয়েছে সবকিছু থেকেই আয় করা যায়। সেজন্য প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর পরিমান ভিজিটর রয়েছে। ভিজিটর যত বেশি আয় তত বেশি।  আর এধরনের সাইট তৈরী করতে প্রয়োজন সময়, মেধা, শ্রম।
নিজে ওয়েবসাইট তৈরী করতে যে সময়, শ্রম প্রয়োজন সেটা না করে অন্য কেউ সময় এবং শ্রম ব্যয়ে যাকিছু করেছে সেখান থেকে আয় করতে চান ? সেটাও সম্ভব।
বিষয়টি খুব সহজ। অন্য কেউ এমন সাইট তৈরী করার পর যদি সেটা বিক্রি করতে চায় সেটা কিনে ফেলুন। অর্থাত আপনি অর্থের বিনিময়ে অন্যের শ্রম এবং সময় কিনছেন। বিষয়টি অস্বাভাবিক মনে করার কিছুই নেই, কার শ্রম এবং সময়কে অর্থে হিসেব করা যায়।
Adsense sites লিখে সার্চ করুন। ই-বে এজন্য খুব ভাল যায়গা। এমন সাইট পেতে পারেন যেখানে যথেস্ট ভিজিটর রয়েছে এবং সেখানে রীতিমত এডসেন্স থেকে আয় হচ্ছে। সাইট যত উন্নত তার দাম তত বেশি হবে এটাই স্বাভাবিক।
অন্যের সাইট কিনলে আপনি যে সুবিধেগুলি পাবেন তা হচ্ছে, সাইট ডিজাইন তৈরীর জন্য ভাবতে হচ্ছে না। সেইসাথে সেখানে যাকিছু আপলোড করা হয়েছে সেগুলির মালিকানা হাতে পাওয়া।
আবার বিপরীত চিন্তাও করতে পারেন। আপনি যে সাইট তৈরী করেছেন, যেখানে হয়ত দুবছর পর সাফল্য পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই সাইট বিক্রি করে একবারে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

এডসেন্স ব্যবহারের নিয়ম-কানুন

গুগল এডসেন্স নিয়ে অন্যান্য লেখাগুলি থেকে নিশ্চয়ই ধারনা পেয়েছেন এটা থেকে কি করা সম্ভব, কিভাবে ভাল ফল পাওয়া যায়। এবারে বাস্তবে কিভাবে কাজটি করবেন জেনে নিন।
যে কোন ওয়েবসাইটের জন্যই এডসেন্স ব্যবহার করা যায়। এডসেন্স রেজিশ্ট্রেশনের জন্য তাদের ওয়েবসাইটে www.google.com/adsense যান নিজের নাম-ঠিকানা-সাইটের পরিচিতি দিন। গুগলের সাধারন নিয়ম হচ্ছে আপনি কেবলমাত্র নিজের চালু সাইট ব্যবহার করবেন। নিজস্ব সাইট না থাকলে এডসেন্স রেজিষ্টার করার সুযোগ পাবেন না। ব্যক্তিগত অথবা প্রতিস্ঠান হিসেবে দুধরনের একাউন্ট তৈরীর ব্যবস্থা রয়েছে।
তাদের নিয়মের বাইরে কিছু ঘটলে তারা আপনাকে এডসেন্স ব্যবহারের সুযোগ নাও দিতে পারে। যদি কারন না জানা থাকে তাহলে তাদের সাথে যোগাযোগ করে কারন জানতে পারেন।
যে বিষয়গুলি তারা সমর্থন করে না তার সংক্ষেপে এধরনের;
.          পর্নোগ্রাফি বা প্রাপ্তবয়স্কদের সাইট ব্যবহার করা যাবে না।
.          অাক্রমনাত্মক, সহিংসতা ইত্যাদির প্রচার করা যাবে না।
.          কপিরাইট আইন ভংগ করে এমনকিছু রাখা যাবে না।
.          ক্লিক করার জন্য ভিজিটরকে অনুরোধ করা যাবে না।
.          মাদক, মদ, সিগারেট এধরনের কোনকিছুর প্রচারনা, বিক্রি করা যাবে না।
.          ভিজিটরদের বিরক্তি তৈরী করে এমন বক্তব্য প্রকাশ করা যাবে না।

নিজের নামে একাউন্ট তৈরীর পর এডসেন্স সন্ক্রান্ত যেকোন কাজের জন্য এই সাইট ব্যবহার করতে হবে। এডসেন্স লগ-ইন পেজে ইমেইল এড্রেস এবং পাশওয়ার্ড প্রয়োজন হবে। লগ-ইন করার পর আপনার একাউন্টের তথ্য থেকে শুরু করে এড সেটিং এর বিভিন্ন ধরনের পরিবর্তন করার সুযোগ পাবেন।
যে কোন সময় কোন তথ্য জানা প্রয়োজন হলে হেল্প লিংকে ক্লিক করতে পারেন। নতুন ব্যবহারকারীকে একবারেই সবকিছু শিখে নিতে হবে এমন কথা নেই।
পছন্দমত এড লেআউট বাছাই
এডসেন্স এর জন্য নির্দিষ্ট কিছু মাপ রয়েছে। ব্যানার, মিডিয়াম রেকট্যাঙ্গল, স্কাইস্ক্রাপার ইত্যাদি মাপের এডগুলি টেক্সটলিংক, ইমেজ কিংবা ভিডিও হতে পারে। ভিডিও লিংকের ক্ষেত্রে ভিডিওগুলি আপনার সাইটে জমা হবে না, ভিজিটর সেখানে ক্লিক করলে গুগলের সার্ভার থেকে প্লে হবে।
সাধারনভাবে টেক্সট এর ব্যবহার সবথেকে বেশি। এক ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। কোন ধরনের বিজ্ঞাপন ব্যবহার করলে বেশি ক্লিক পাওয়া যায় তা পরীক্ষা করতে পারেন এবং যেকোন সময় পরিবর্তন করতে পারেন। এড সেটিং ঠিক করার পর তার প্রিভিউ দেখার ব্যবস্থা রয়েছে।
বিজ্ঞাপনের জন্য পছন্দমত টেক্সট, রং ইত্যাদি পরিবর্তনের ব্যবস্থা রয়েছে। আপনার সাইটের সাথে মিল রেখে মানানসই রং ঠিক করুন।
সাইটে কোড যোগ করা
পছন্দমত পরিবর্তন করার পর Save and get code বাটনে ক্লিক করলে কয়েকলাইন কোড পাওয়া যাবে। এই এইচটিএমএল কোড কপি করে আপনার সাইটে ব্যবহার করতে হবে।
এড পারফরমেন্স পেজ
আপনার এডসেন্স বিজ্ঞাপনে কি পরিমান ক্লিক বা আয় হয়েছে জানার জন্য এই পেজ ব্যবহার করবেন। আপনি দিন-সপ্তাহ-মাস ইত্যাদি সময় হিসেবে রিপোর্ট পেতে পারেন। আপনার আয় কত, কোন সুত্রে সব তথ্যই জানা যাবে এখান থেকে।

টাকা পাওয়ার নিয়ম
আপনার একাউন্টে ১০০ ডলার জমা হওয়ার পর গুগল আপনার নামে চেক লিখবে। শুরুতে ১০০ ডলার জমা হতে কয়েকমাস সময় লাগতে পারে। কাজেই কাজ শুরুর সাথেসাথেই আপনি টাকা পাবেন না। নিয়মিত টাকা জমা হতে থাকলে প্রতিমাসে আপনার নামে চেক পাঠানো হবে। সাধারন ডাক কিংবা কুরিয়ার মাধ্যমে চেক গ্রহন করতে পারেন। এছাড়া ইলেকট্রনিক মাধ্যমেও অর্থগ্রহন করা যায়।
আপনার একাউন্ট সেটিং পেজে লগ-ইন, প্রাপকের নাম-ঠিকানা, প্রাপ্তির মাধ্যম ইত্যাদি বিষয়ে পরিবর্তন করা যাবে।

ক্লিক সম্পর্কে সাবধানতা
লিংকে ক্লিক করলে টাকা আয় হবে একথা ভেবে যদি আপনি নিজেই সেই লিংকে ক্লিক করতে থাকেন তাহলে আপনার এডসেন্স রেজিষ্ট্রেশন বাতিল করা হবে। গুগলের ফলস-ক্লিক যাচাই করার ব্যবস্থা রয়েছে। নিজে কিংবা পরিচিতদের দিয়ে ক্লিক করাতে চেষ্টা করবেন না।

অনেকে বছরে লক্ষ ডলার আয়ের কথা বলেন। যদি সাইটে বিপুল পরিমান ভিজিটর যায়, বিপুল পরিমান ক্লিক হয় তাহলে সেটা সম্ভব। বাস্তবে ওধরনের সংখ্যার ওপর নির্ভর না করাই ভাল। এই পদ্ধতিতে যা আয় করা যায় সেটা যথেষ্ট, এটা মনে করাই নিরাপদ।

এফিলিয়েট মার্কেটিং : ইন্টারনেট থেকে আয় করার পদ্ধতি

এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট ব্যবহার করে অন্য কোম্পানীর ওয়েবসাইটের প্রচার করা এবং বিনিময়ে কমিশন পাওয়া। এই কমিশনের পদ্ধতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। সবচেয়ে সাধারন পদ্ধতি হচ্ছে আপনার ওয়েব সাইট থেকে বিজ্ঞাপন দেখে যদি কেউ সেই পন্য কেনে তাহলে। যেমন ধরুন আপনার সাইটে বইয়ের তথ্যের সাথে আমাজনের লিংক রয়েছে। যদি কোন ভিজিটর সেই লিংকে ক্লিক করে আমাজনে যায় এবং সেই পণ্য কেনে তাহলে আপনি বিক্রির ওপর কমিশন পাবেন। আপনি নিশ্চয়ই জানেন আমাজন বিক্রি করে না এমন কোন পন্য নেই।
undefined
বিক্রি হওয়া ছাড়াও অন্য ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন রাখলে সেই লিংকের ওপর ভিজিটর ক্লিক করলে সেকারনেও অর্থ পেতে পারেন। তাদের কাছে এর অর্থ, আপনি তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠাচ্ছেন। তাদের ব্যবসায় সহযোগিতা করছেন।
ইন্টারনেটে ব্যবসা করে এমন অধিকাংশ বড় কোম্পানী বিক্রি বাড়ানোর জন্য এফিলিয়েটেড মার্কেটিং পদ্ধতি ব্যবহার করে। যদিও তারা এবিষয়ে সরাসরি প্রচার করে না। সাধারনভাবে তাদের ওয়েবসাইটের নিচের দিকে এবিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়। সেখানে Affiliate Program, Affiliates অথবা এধরনের কিছু লেখা থাকে। সেখানে ক্লিক করে এফিলিয়েট রেজিষ্ট্রেশন পেজ পাওয়া যাবে। যেমন উদাহরনের ছবিতে বিশ্বখ্যাত খুচরা বিক্রেতা bestbuy.com এর সাইটের নিচের অংশ দেখুন।
রেজিষ্টেশন পেজে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার, সাইটের তথ্য ইত্যাদি দেবেন। এগুলি দেয়ার পর তাদের অনুমোদনের জন্য কয়েকদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। প্রায় সব কোম্পানীর এফিলিয়েট প্রোগ্রামের পদ্ধতি মোটামুটি একই।
একটি একটি করে কোম্পানীর এফিলিয়েট প্রোগ্রামে অংশ না নিয়ে এফিলিয়েট নেওয়ার্কেও অংশ নেয়া যায়। এজন্য আপনাকে সেই নেটওয়ার্কের সদস্য হতে হয়, একইভাবে তথ্য দিতে হয়। অনুমোদন হয়ে গেলে আপনি বিভিন্ন কোম্পানীর এফিলিয়েশনের জন্য চেষ্টা করতে পারেন। Commission Junction এধরনের একটি জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক।
ইন্টারনেটে আয় করার অন্যান্য পদ্ধতির সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং যোগ করে আয় বাড়াতে পারেন।

ইন্টারনেটে ঘরে বসে আয় : পেইড টু ক্লিক PTC

যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজে আয় করতে চান তাদের কাছে পিটিসি অত্যন্ত আকর্ষনীয় বিষয়। অন্তত তাত্বিকভাবে কাজটি খুব সহজ। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ওপেন করবেন, নির্দিস্ট লিংকে ক্লিক করবেন। আপনার একাউন্টে টাকা জমা হতে থাকবে। আয়ের এরচেয়ে সহজ পথ হয়না।
বাস্তবে এই পদ্ধতির পেছনে অন্য অনেকগুলি বিষয় জড়িত। যদি একাজে হাত দিতেই চান তাহলে সেটা জেনে নেয়াই ভাল।
প্রথম কথা, ক্লিক করলে আপনাকে টাকা দেবে কেন ? কে দেবে ?
বর্তমান বিশ্ব চলে বিজ্ঞাপনের জোরে। আর ইন্টারনেট বিজ্ঞাপনের বিশাল যায়গা। এরই মধ্যে ছাপানো বিজ্ঞাপনকে ছাড়িয়ে গেছে ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন। সব ধরনের কেনাকাটা করা যায় ইন্টারনেট ব্যবহার করেই, কাজেই সেই বিবেচনায় ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন সুবিধেজনক।
এখানেও রয়েছে প্রতিযোগিতা। আপনি কোন একটি বিষয়ে বিজ্ঞাপন দিলেন গুগলের মাধ্যমে, আরেকজনও দিল একই বিষয়ের বিজ্ঞাপন। গুগলের সার্চলিষ্টে কোনটি প্রাধান্য পাবে ?
গুগলের ফর্মুলা অনুযায়ী যে সাইট মানুষ বেশি ব্যবহার করে সেই সাইট। আর এখানেই ক্লিক করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
কোন বিশেষ সাইটে যদি ভিজিটর বেশি যায় তাহলে তারা স্বাভাবিকভাবেই প্রাধান্য পাবে। আর যার ভাগ্যে সেটা ঘটে না সে ভাড়া করা মানুষ দিয়ে তার লিংকে ক্লিক করিয়ে নিতে পারে। আপনি যখন পিটিসি লিংকে ক্লিক করবেন তখন আপনি সেই ভাড়াকরা ক্লিককারী। প্রতি ক্লিকের জন্য পেতে পারেন কয়েক সেন্ট থেকে কয়েক ডলার পর্যন্ত। যত বেশি ক্লিক তত বেশি টাকা।
এজন্য আপনাকে যা করতে হয় তা হচ্ছে, পিটিসি সেবা দেয় এমন কোন সাইটে গিয়ে তাদের ফরম পুরন করে সদস্য হওয়া। সদস্য হলে আপনি একটি একাউন্ট নাম এবং পাশওয়ার্ড পাবেন।
কাজ করার জন্য নিজের একাউন্টে ঢুকতে হবে। বিভিন্ন সাইটের কাজ করার পদ্ধতিতে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে তবে মুল পদ্ধতি মোটামুটি একইরকম। আপনি সেখানে এড দেখতে পাবেন যেখানে। এগুলিতেই আপনাকে ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার জন্য কয়েক সেকেন্ড সময় পাবেন (ধরুন ৩০ সেকেন্ড)। ক্লিক করার পর কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে, ক্লিক কনফার্ম মেসেজ না পাওয়া পর্যন্ত।
কতগুলি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন সেটা নির্দিস্ট করা থাকবে এবং নির্ভর করবে তাদের ওপর। হয়ত একদিনে ২০টি ক্লিক করার সুযোগ পেলেন, আরেকদিন আদৌ পেলেন না। ক্লিক করার কোটা শেষ হলে আপনার হিসেব জেনে নিতে পারেন সেখান থেকেই।
আপনি টাকা কিভাবে পাবেন সেটা আপনাকেই ঠিক করে দিতে হবে। পে-পল এর মত কোন সার্ভিসের একাউন্ট করে সেটা ব্যবহার করতে পারেন। এবিষয়ে অন্যযায়গায় লেখা হয়েছে।
মোটামুটি এটাই নিয়ম। এবারে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন প্রশ্ন, এধরনের সাইটের ঠিকানা কি ?
সাইট আপনাকেই খুজে নিতে হবে গুগল সার্চ করে। কারন অনেকগুলি। অনেক সময়ই এধরনের সাইট কিছুদিন পর উধাও হয়ে যায়, সার্ভিস বন্ধ করে দেয় (তারাও অন্যের ওপর নির্ভরশীল), এমনকি আপনার নামে টাকা জমা হওয়ার পর সেটা না পাওয়ার ঘটনা ঘটার অভিযোগও রয়েছে।
একথা ঠিক, এই পদ্ধতিতে অনেকে আয় করেছেন, করছেন। যদি এপথে আয় করতেই চান তাহলে নির্দিষ্ট সাইট খুজে বের করার মত সামান্য কাজটুকু করবেন না কেন ? সুবিধেমত একটি সাইট পেলে যখন দিনে কয়েক মিনিট সময় ব্যয় করে বাংলাদেশি টাকায় হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়।
এই মুহুর্তেই আয় শুরু করতে পারেন নির্ভরযোগ্য সাইট clixsense থেকে।

ইন্টারনেটে ঘরে বসে আয় : পেইড টু ক্লিক PTC

যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজে আয় করতে চান তাদের কাছে পিটিসি অত্যন্ত আকর্ষনীয় বিষয়। অন্তত তাত্বিকভাবে কাজটি খুব সহজ। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ওপেন করবেন, নির্দিস্ট লিংকে ক্লিক করবেন। আপনার একাউন্টে টাকা জমা হতে থাকবে। আয়ের এরচেয়ে সহজ পথ হয়না।
বাস্তবে এই পদ্ধতির পেছনে অন্য অনেকগুলি বিষয় জড়িত। যদি একাজে হাত দিতেই চান তাহলে সেটা জেনে নেয়াই ভাল।
প্রথম কথা, ক্লিক করলে আপনাকে টাকা দেবে কেন ? কে দেবে ?
বর্তমান বিশ্ব চলে বিজ্ঞাপনের জোরে। আর ইন্টারনেট বিজ্ঞাপনের বিশাল যায়গা। এরই মধ্যে ছাপানো বিজ্ঞাপনকে ছাড়িয়ে গেছে ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন। সব ধরনের কেনাকাটা করা যায় ইন্টারনেট ব্যবহার করেই, কাজেই সেই বিবেচনায় ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন সুবিধেজনক।
এখানেও রয়েছে প্রতিযোগিতা। আপনি কোন একটি বিষয়ে বিজ্ঞাপন দিলেন গুগলের মাধ্যমে, আরেকজনও দিল একই বিষয়ের বিজ্ঞাপন। গুগলের সার্চলিষ্টে কোনটি প্রাধান্য পাবে ?
গুগলের ফর্মুলা অনুযায়ী যে সাইট মানুষ বেশি ব্যবহার করে সেই সাইট। আর এখানেই ক্লিক করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
কোন বিশেষ সাইটে যদি ভিজিটর বেশি যায় তাহলে তারা স্বাভাবিকভাবেই প্রাধান্য পাবে। আর যার ভাগ্যে সেটা ঘটে না সে ভাড়া করা মানুষ দিয়ে তার লিংকে ক্লিক করিয়ে নিতে পারে। আপনি যখন পিটিসি লিংকে ক্লিক করবেন তখন আপনি সেই ভাড়াকরা ক্লিককারী। প্রতি ক্লিকের জন্য পেতে পারেন কয়েক সেন্ট থেকে কয়েক ডলার পর্যন্ত। যত বেশি ক্লিক তত বেশি টাকা।
এজন্য আপনাকে যা করতে হয় তা হচ্ছে, পিটিসি সেবা দেয় এমন কোন সাইটে গিয়ে তাদের ফরম পুরন করে সদস্য হওয়া। সদস্য হলে আপনি একটি একাউন্ট নাম এবং পাশওয়ার্ড পাবেন।
কাজ করার জন্য নিজের একাউন্টে ঢুকতে হবে। বিভিন্ন সাইটের কাজ করার পদ্ধতিতে কিছুটা ভিন্নতা থাকতে পারে তবে মুল পদ্ধতি মোটামুটি একইরকম। আপনি সেখানে এড দেখতে পাবেন যেখানে। এগুলিতেই আপনাকে ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার জন্য কয়েক সেকেন্ড সময় পাবেন (ধরুন ৩০ সেকেন্ড)। ক্লিক করার পর কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে, ক্লিক কনফার্ম মেসেজ না পাওয়া পর্যন্ত।
কতগুলি ক্লিক করার সুযোগ পাবেন সেটা নির্দিস্ট করা থাকবে এবং নির্ভর করবে তাদের ওপর। হয়ত একদিনে ২০টি ক্লিক করার সুযোগ পেলেন, আরেকদিন আদৌ পেলেন না। ক্লিক করার কোটা শেষ হলে আপনার হিসেব জেনে নিতে পারেন সেখান থেকেই।
আপনি টাকা কিভাবে পাবেন সেটা আপনাকেই ঠিক করে দিতে হবে। পে-পল এর মত কোন সার্ভিসের একাউন্ট করে সেটা ব্যবহার করতে পারেন। এবিষয়ে অন্যযায়গায় লেখা হয়েছে।
মোটামুটি এটাই নিয়ম। এবারে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন প্রশ্ন, এধরনের সাইটের ঠিকানা কি ?
সাইট আপনাকেই খুজে নিতে হবে গুগল সার্চ করে। কারন অনেকগুলি। অনেক সময়ই এধরনের সাইট কিছুদিন পর উধাও হয়ে যায়, সার্ভিস বন্ধ করে দেয় (তারাও অন্যের ওপর নির্ভরশীল), এমনকি আপনার নামে টাকা জমা হওয়ার পর সেটা না পাওয়ার ঘটনা ঘটার অভিযোগও রয়েছে।
একথা ঠিক, এই পদ্ধতিতে অনেকে আয় করেছেন, করছেন। যদি এপথে আয় করতেই চান তাহলে নির্দিষ্ট সাইট খুজে বের করার মত সামান্য কাজটুকু করবেন না কেন ? সুবিধেমত একটি সাইট পেলে যখন দিনে কয়েক মিনিট সময় ব্যয় করে বাংলাদেশি টাকায় হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা যায়।
এই মুহুর্তেই আয় শুরু করতে পারেন নির্ভরযোগ্য সাইট clixsense থেকে।